গত ২৫ মে জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো অর্থের অভাবে ঘর মেরামত করতে না পেরে তারা খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাত্ক্ষণিকভাবে ২০০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়। তার মধ্যে এ পর্যন্ত নগদ ২ লাখ টাকা এবং ১৮ মেট্রিক টন চাল ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে সরকারি ত্রাণ বিতরণের ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ রয়েছে। ত্রাণের তালিকায় অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের নাম নেই। ক্ষতিগ্রস্ত আব্দুর রহিম বলেন, তার বসতঘর ঝড়ে ১ কিলোমিটার দূরে নিয়ে ফেলায় ঘরটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়। রান্নাঘর এবং গোয়ালঘরটি মাটিতে পড়ে রয়েছে। অর্থের অভাবে তিনি ঘর মেরামত করতে পারছেন না।
তবুও ক্ষতিগ্রস্তের তালিকায় তার নাম নেই। সাবেক মন্ত্রী, বর্তমানে স্থানীয় এমপি আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নূর মোহাম্মদ এবং বিশিষ্ট শিল্পপতি এমদাদ সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে সরকারি ত্রাণের পাশাপাশি তাদের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নগদ অর্থ ও ঢেউটিন বিতরণ করেছেন।
বকশিগঞ্জ ইউএনও এরশাদ হোসেন খান বলেন, এ পর্যন্ত ৪ লাখ ৬৫ হাজার নগদ টাকা এবং ১৮ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। তবে প্রয়োজন হলে আরও বরাদ্দ বাড়ানো হবে বলে তিনি জানান।
