সিরাজগঞ্জে পর্যটন

আপডেট : ০২ জুন ২০১৪, ২২:১১
বাংলাদেশে দর্শনীয় স্থানের ছড়াছড়ি। অথচ বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন কিংবা প্রাইভেট ট্যুরিজমগুলো হাতেগোনা দু’চারটি জায়গা ছাড়া অন্য কোনো স্থান নিয়ে আদৌ ভাবে না। এই যে যমুনা তীরের সিরাজগঞ্জ জেলায় রয়েছে বঙ্গবন্ধু সেতু, ইলিয়ট ব্রিজ, হযরত শাহ্ মখদুম শাহ্ উদ্দৌলার মাজার (শাহাজাদপুর), রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ি (শাহাজাদপুর), জয় সাগর, চাঁদ সদাগরের বাড়ি (তাড়াশ উপজেলার বিনিসারায়), নবরত্ন মন্দির (তাড়াশ), জমিদার বাড়ি, হযরত শাহ শরিফ জিন্দাপীরের মাজার (উল্লাপাড়া), চলনবিল ইত্যাদি কত কী। এনায়েতপুর আর বেলকুচির দিকে গেলে দেখা মেলে ঘরে ঘরে তাঁতশিল্প। সিরাজগঞ্জের পাশেই যমুনা নদী। সম্প্রতি সিরাজগঞ্জের দর্শনীয় স্থানগুলো দেখে বিকেল তিনটায় উপস্থিত হলাম বিশ্বরোডের পাশে হাটিকম্বলে। আহা কতই না সুন্দর এখানকার সবুজ প্রান্তর— মনে কী যেন দোলা দিয়ে গেলো সেই ক্ষণে। কিন্তু ওখানে রাত্রি যাপনের ব্যবস্থা না থাকায় ওই দিন সন্ধ্যায় ফুড ভিলেজ প্লাস থেকে বাস ধরে ফিরে আসতেই হলো। এও ভাবলাম, হাটিকম্বলের এই ফুড ভিলেজ প্লাসের পাশেই রাত্রি যাপন করার জন্য একটি আবাসিক হোটেল স্থাপিত হলে আশেপাশের এলাকা ঘুরে দেখা, থাকা, খাওয়া সবই হবে একত্রে। তাই শিল্পপতিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, হাটিকম্বল এলাকায় স্থাপন করুন একটি আবাসিক হোটেল। অন্যদিকে পর্যটন কর্পোরেশন ও বিভিন্ন প্রাইভেট ট্যুরিজম দেশ-বিদেশের পর্যটকদের সিরাজগঞ্জের কীর্তিগুলো দেখানো ও চেনানোর ব্যবস্থা নিন। লিয়াকত হোসেন খোকন, রূপনগর, ঢাকা