মহানগরীতে উড়াল সেতু করার মত যানবাহন চলাচল করে না। অদূর ভবিষ্যতেও প্রয়োজন হবে কিনা সন্দেহ রয়েছে। ১৯৯৫ সালে প্রণীত মাস্টার প্ল্যানের কোথাও ফ্লাইওভার নির্মাণের সুপারিশ করা হয়নি। ফিজিবিলিটি স্টাডি না করে সিডিএ ফ্লাইওভার নির্মাণ করছে। গতকাল সোমবার পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরাম চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রকৌশলী সুভাষ বড়ুয়া একথা বলেন।
তিনি লিখিত বক্তব্যে আরও বলেন, প্রতিদিন কমপক্ষে এক লাখ গাড়ি না চললে উড়াল সেতুর ফিজিবল হবে না। বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার নির্মাণে কোন সুফল মিলছে না। বরং যানজট আরো বেড়েছে। তারপরেও ফিজিবিলিটি স্টাডি না করে মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার উড়াল সেতু নির্মাণের দরপত্র দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, যানজট নিরসন করতে হলে ফুটপাত, ট্রাফিক সিগন্যাল, লেইন মার্কিং ট্রাফিক আইন প্রয়োগ ও ভবন নির্মাণ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এসব না করে যতই ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হউক সুফল মিলবে না।
