আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বিচার বিভাগের এমন কোনো পদক্ষেপ নেয়া উচিত নয়, যাতে বিচারিক নৈরাজ্য তৈরি হয়। তিনি বলেন, জনস্বার্থের মামলায় বিচার বিভাগ বিভিন্ন সময়ে যেসব উদ্যোগ নেয়, সেগুলোকে অবশ্যই আমরা সাধুবাদ জানাই। কিন্তু তাদের সীমানা অতিক্রম করা উচিত নয়। এমন কিছু করা উচিত নয়, যাতে করে বিচারিক নৈরাজ্য (জুডিশিয়াল অ্যানার্কি) তৈরি হয়।
‘মানবাধিকার সুরক্ষায় অভিজ্ঞতা বিনিময়’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। গতকাল সোমবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার এইচ.ই গ্রেগ উইলকক। এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. ইমান আলী, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট্রের (ব্লাস্ট) পরিচালক ব্যারিস্টার সারা হোসেন, ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তরিক। মানবাধিকার সুরক্ষার জন্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কমিশনের কাজে সরকার কোন ধরনের হস্তক্ষেপ করছে না। মানবাধিকার রক্ষায় কমিশন যে সুপারিশ করে সেগুলো বাস্তবায়নে সরকার সবসময় আন্তরিক। আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে মানবাধিকার সুরক্ষায় নতুন নতুন আইন প্রণীত হয়েছে। একই লক্ষ্যে আরো আইন যুগোপযোগী করা হবে।
অনুষ্ঠানে ড. মিজানুর রহমান বলেন, আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষ মানবাধিকার সম্পর্কে জানে না। আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে সাধারণ মানুষকে মানবাধিকার বিষয়ে সচেতন করে তোলা।
