গঙ্গাচড়ায় বেড়ীবাঁধে ভাঙ্গন বোরো ক্ষেত বিনষ্টের আশঙ্কা

আপডেট : ০৩ জুন ২০১৪, ২১:৪৩
উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রংপুরের গঙ্গাচড়ায় বেড়ি বাঁধের ৫শ’ ফুট এলাকায় ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। বাঁধটি ভেঙ্গে গেলে একশ’ একর জমির ধানক্ষেত তলিয়ে যাবে। সেইসাথে পানিবন্দি হবে কয়েকশ’ পরিবার। জানা যায়, গত শুক্রবার হঠাত্ করে ঢলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে উপজেলার আলমবিদিতর ইউনিয়নের ব্যাংকপাড়া এলাকায় পানির তীব্র স্রোতে বেড়ি বাঁধের ৫শ’ ফুট এলাকায় ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দেয়। বাঁধটির অর্ধেক অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। গতকাল সোমবার ভাঙ্গন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বাঁধটির ৫শ’ ফুট অংশ ধসে গেছে। লোকজন স্থানীয়ভাবে বাঁশ দিয়ে ভাঙ্গন রক্ষার চেষ্টা করছে। স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করেন, এখন পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ডের কেউ দেখতে আসেনি। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুল খালেক ভাঙ্গনের কথা স্বীকার করে বলেন, সরেজমিন তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট রিপোর্ট দেয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। সাঁথিয়ায় ইছামতি নদীর বাঁধ ১৮ দিনেও মেরামত হয়নি সাঁথিয়া (পাবনা) সংবাদদাতা পাবনার সাঁথিয়ায় ইছামতি নদীর তৈলকুপি-জগন্নাথপুর গ্রামের ক্রসবাঁধ ভাঙ্গার ১৮ দিনেও মেরামত করেনি পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ড। সম্প্রতি ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতারা ইছামতি নদী থেকে ৫ ইঞ্চি জিআই পাইপ দিয়ে বোরিং করে তাদের মত্স্য খামারে পানি সরবরাহের চেষ্টা করে। পানির চাপে বিকট শব্দে তাত্ক্ষণিক ভেঙ্গে পড়ে ক্রসবাঁধটি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের অফিস সহকারী রফিকুল ইসলাম বাঁধের ক্ষতিপূরণ বাবদ ১৪ লাখ টাকা দাবি করে আতাইকুলা থানায় একটি জিডি করেন। বাঁধ ভাঙ্গার ১৮ দিন গত হলেও দিন-দুপুরে প্রকাশ্যে ঘটনা ঘটালেও থানা পুলিশ জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতার করতে পারেনি। এমনকি ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধটি এখনও মেরামত করেনি পাউবো।