গুণী কণ্ঠশিল্পী পারভেজ। নিজের গান আর গায়কীতেই অন্য এক অবস্থানে এসেছেন শ্রোতাদের কাছে। নিজের গান নিয়ে
ও বর্তমান অডিও বাজার নিয়ে কথা বলেছেন বিনোদন প্রতিদিনের সাথে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন সুহূদ সুফিয়ান
এ সময়ের ব্যস্ততা কী নিয়ে?
এখন বেশ কিছু অ্যালবামের কাজ একসাথে করছি। সেগুলো নিয়েই ব্যস্ত রয়েছি। একইসাথে আমার সলো অ্যালবামের কাজও রয়েছে। আমার ব্যান্ডদল ‘সুফিয়ানা’র অ্যালবাম এবং জয়ের সাথ আমার প্রজেক্টের কাজটিও চলছে। তবে সবার আগে আমার সুফিয়ানার কাজটিই শেষ করব।
নিজের গানের ক্ষেত্রে এখন কোন মাধ্যমটিতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করেন?
এটা আসলে নিজের আর্থিক প্রাপ্তির ওপরে অনেকখানি নির্ভর করে। দেখুন আজ প্রকাশকরা যদি আমাদের সাথে কোনোরকম প্রতারণা না করত তাহলে শুধু অডিওতে মনের আনন্দে গান করতাম। কারণ এটাই আমার মূল আনন্দের জায়গা। অডিও অ্যালবামে শিল্পী তার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করতে পারেন। যা ফিল্ম বা প্লে-ব্যাকে সম্ভব না।
কিন্তু এখন তো প্লে-ব্যাক অনেক ভালো হচ্ছে...
হ্যাঁ, এটা সবচেয়ে আশার দিক। আমাদের গানকে সমৃদ্ধ করার জন্য প্লে-ব্যাকের ভূমিকা অনেকখানি।
এছাড়া নিজেরাই এখন নিজেদের লেবেলে অ্যালবাম রিলিজ দিচ্ছেন। এটা কি অভিমান থেকে?
হ্যাঁ অবশ্যই। কারণ নিজেরা মাঠে নেমে দেখছি, আসলে এখানে এখনও ব্যবসা রয়েছে। আমরা নিজেরা সন্তুষ্ট। একটা ছোট্ট উদাহরণ আপনাকে দিই, আজ অডিও বাজার এতটা মন্দায় যদি হতো তাহলে সাউন্ডটেক কেন আবারও নতুন করে নতুনভাবে বাজারে আসছে। তারা নিশ্চয়ই নিজেদের লাভ ছাড়া লোকসান করার জন্য আবারও শুরু করছে না। গত কয়েক বছরে জি-সিরিজ, সঙ্গীতা, লেজার ভিশনের শোরুমের অবস্থা, সংখ্যা বাড়ে বৈ কমেনি। আমার প্রশ্ন হলো অডিও বাজরে লস হলে তারা শোরুম বাড়াচ্ছে কার টাকায়। সুতরাং এসব মিথ্যা প্রতারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। শুধু বিনা লগ্নিতে লাভ গুনবেন এই আশায় থাকলে তারা সংগীতের জাতীয় শত্রু হিসেবেই গণ্য হবেন।
সামনে আসছে ঈদ। আপনার প্রস্তুতি কেমন?
প্রস্তুতি ভালো। বেশ কিছু নতুন গান আসবে নতুন অ্যালবামে।
