বাংলাদেশ জাতীয় দলের বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন হিথ স্ট্রিক। গতকাল কাজে যোগ দিয়েছেন এই জিম্বাবুয়ান। প্রথম দিনে তার ক্লাসের ছাত্র ছিলেন দেশ সেরা পেসার মাশরাফি বিন মর্তুজা, রুবেল হোসেন, জিয়াউর রহমান, তাসকিন আহমেদ ও আল-আমিন হোসেন। এদিন পেসারদের লাইন, লেন্থ ও ভেরিয়েশনে পরিবর্তন, উইকেট অনুযায়ী স্লোয়ার, বাউন্সার এবং ডেথওভার বল করার পরামর্শ দেন হিথ। ব্যাটসম্যান কোন্ দিকে দুর্বল, কোন্ দিকে বল করলে ভাল হয় সেগুলো নিয়েও আলোচনা করেছেন। হিথ স্ট্রিকের অধিনে প্রথম দিনের ক্লাস শেষেই উত্সাহী মনে হয়েছে পেস বোলারদের।
গতকাল মিরপুর শেরেবাংলার ইনডোরে পেসারদের নিয়ে আলাদাভাবে অনুশীলন করান হিথ স্ট্রিক। অনুশীলন শেষে জাতীয় দলের তরুণ পেসার তাসকিন আহমেদ বলেন, হিথের অধিনে প্রাকটিস করে ভালোই লাগলো। একটু আলাদা মনে হয়েছে। আমরা প্রত্যেকে এক ওভার করে বোলিং করেছি। পরিবেশটা ছিল ম্যাচের মতো। এমনকি নেটের মধ্যেও নো বল করতে বারণ করেছেন কোচ। সবকিছু সঠিকভাবে আমরা করছিলাম। উনি আমাদের সাহায্য করেছেন। সব মিলিয়ে ভালোই উপভোগ করেছি। আশাকরি ভালোই হবে। হিথের প্রধান কাজ হলো দেশের তরুণ পেসারদের আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন করে গড়ে তোলা। তরুণদের মধ্যে অন্যতম সদস্য হলেন তাসকিন আহমেদ। তিনি আরো বলেন, হিথ আজ আমাদের লাইন-লেন্থ ও ভেরিয়েশনে পরিবর্তন আনতে বলেছেন। ওই অনুযায়ী আমরা বোলিং করেছি। উইকেট অনুযায়ী স্লোয়ার, বাউন্সার, লেন্থ সবকিছু মিলিয়ে বোলিং করার জন্য তিনি বলেছেন। সবকিছু ঠিকঠাকভাবেই হয়েছে। তিনি একজন বড় মাপের খেলোয়াড় ছিলেন। তার কাছ থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অভিজ্ঞতাগুলো নেয়ার চেষ্টা করবো। কোন্ উইকেটে কেমন বোলিং করতে হয় এবং ব্যাটসম্যানদের কিভাবে পরাস্থ করতে হয় এসব কিছু ওর কাছে জানার চেষ্টা করবো।
বোলিং কোচের সঙ্গে প্রথম দিনটা কেমন কাটলো জানতে চাইলে উদীয়মান পেসার আল-আমিন হোসেন বলেন, খুবই ভাল। ডেথওভার বল করার পরামর্শ দিয়েছেন। কোন ব্যাটসম্যান কোন্ দিকে দুর্বল, কোন দিকে বল করলে ভাল হয় সেগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন। আমরা ডেথ বল করেছি। আমাদের ডেথ ওভারে আমাদের সমস্যা। স্লোয়ার ও ইয়র্কার নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
