বাজেট হচ্ছে সরকারের একটি বার্ষিক আর্থিক দলিল। সরকারের রাজস্ব আয়, বৈদেশিক সহায়তা ও ঋণ প্রাপ্তি, বর্তমান ও ভবিষ্যত্ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বর্ণনা ও ব্যয় এবং সরকার পরিচালনায় খরচ ইত্যাদি বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরা হয় এতে। বাজেট প্রস্তাব সংসদে পেশ করা হয়। জনপ্রতিনিধিগণ বাজেটের ওপর গড়ে ৪৫ ঘণ্টা আলোচনা করেন। সংশোধনী আনেন। তারপর তা পাশ হয়। প্রস্তাবটি আইনে পরিণত হয়। এমনি পটভূমিতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গত ৫ জুন ২০১৪-১৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সংসদে পেশ করেছেন। এটি প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার তৃতীয় মেয়াদের সরকারের প্রথম বাজেট। আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫তম এবং অর্থমন্ত্রীর পেশকৃত অষ্টম বাজেট।
এই বাজেট শুধু সরকারের আয়-ব্যয়ের খতিয়ানই নয়। শ্রেণী, পেশা, বয়স, লিঙ্গ নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি মানুষের আগামী এক বছরের সামগ্রিক ভাবনার প্রতিটি দিক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রতিফলিত হয়েছে এ বাজেটে। বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশে তাই বাজেট এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই জনগণ অনেক ত্যাগ স্বীকার করে সরকার ও গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছে। জনকল্যাণের প্রায় ৯২ শতাংশ দায়িত্বই সরকার এ বাজেটের মাধ্যমে করবে। তাই সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পথে প্রস্তাবিত বাজেট সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে। এবারের বাজেট পেশকে ঘিরে একটি অভিনব পন্থা অনুপস্থিত আছে। বিগত কয়েক বছর ধরেই দেখা গেছে বিএনপি বাজেট অধিবেশনে অংশ না নিয়ে পাঁচতারা হোটেলে পাল্টা বাজেট পেশ করেছে। তারা এবার সংসদে নেই। তাই পাল্টা বাজেট পেশের প্রয়োজনও বোধ করে নাই।
এবারের বাজেটকে উন্নয়ন-আকাঙ্ক্ষী ও কল্যাণধর্মী বাজেট হিসেবে আখ্যা দেয়া যায়। সরকারের রাজনৈতিক দর্শনের পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেছে এ বাজেটে। বাজেটের আকার প্রতিবছরই বাড়ছে। এটা অর্থনীতির আকার বাড়ার ইঙ্গিত বহন করছে। বিগত পাঁচ বছরে দেশের অর্থনীতি যে গতিতে বেড়েছে তা ধারণ করে এ গতি আরও বাড়াতে হলে বাজেটের আকার আরও বাড়লেও বড় বাজেট বলা যেতো না। বাজেট উপস্থাপনের শুরুতেই অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথমবার একটি নির্বাচিত সরকার পূর্ণ মেয়াদ দায়িত্ব পালন শেষে আবারও পূর্ণ মেয়াদে নির্বাচিত হয়েছে।’ সরকার ও গণতন্ত্রের এই ধারাবাহিক যাত্রা অক্ষুণ্ন রাখতে গিয়ে জনগণ অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে। এখন তাদের পাওয়ার সময়। সরকার প্রস্তাবিত বাজেটে সেই চেষ্টাই অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে করেছে বলেই প্রতিভাত হয়েছে। সারণী-১ তাই প্রমাণ করে।
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীতে ৮৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আগামী জুলাই থেকে ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত এক বছরে ১ হাজার ৩৪টি অনুমোদিত এবং আরও ৯৫৯টি অনুমোদনবিহীন মোট ১ হাজার ৯৯৩টি প্রকল্প বাস্তবায়নে এ অর্থ ব্যয় করা হবে। গতবারের মতো এবারও এডিপিতে স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর ১৫৩টি প্রকল্পের ব্যয় মোট এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব প্রকল্পে ব্যয় ৫ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকা। এ অর্থ বাদ দিলে পরিকল্পনা মন্ত্রণায়নের আওতাভুক্ত এডিপির আকার হচ্ছে ৮০ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের সংশোধনী এডিপিতে ৬০ হাজার কোটি ব্যয় করা হয়েছে। এ হিসেবে আগামী অর্থবছরে এডিপি ব্যয়ে প্রায় ৩৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি রাখা হয়েছে। এডিপি ব্যয় বরাদ্দের প্রায় ৬৩ শতাংশ তথা ৫২ হাজার ৬১৫ কোটি টাকা যোগান দেয়া হবে দেশীয় উত্স থেকে এবং বিদেশী সহায়তা হিসেবে ২৭ হাজার ৭০০ কোটি টাকা পাওয়া যাবে। আগামী অর্থবছরে বেশ কয়েকটি বড় ও বহু আকাঙ্ক্ষিত প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে আছে, পদ্মা সেতু প্রকল্পে ৮ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এ সেতুর সাথে দেশের অর্থনীতির অগ্রযাত্রা বেশ নির্ভরশীল।
বিশ্বব্যাংকের পর্যালোচনায় দেখা গেছে সেতুটি নির্মিত হলে দেশের প্রবৃদ্ধি প্রায় দেড় শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। তাই প্রতি বছরের প্রচেষ্টায় প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হলে পদ্মা সেতুর কারণে তা সাড়ে আট শতাংশে উন্নীত হবে। আগামী বছর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে ২ হাজার ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আরেকটি বড় প্রকল্প ঢাকা-চট্টগ্রাম চার-লেন প্রকল্প বাস্তবায়নে ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যদিও বিদ্যুত্ উত্পাদন ক্ষমতা গত পাঁচ বছরে ৪ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট থেকে ১০,৩৪১ মেগাওয়াটে উন্নীত করা হয়েছে। জনগণ লোডশেডিং এর দুঃসহ যন্ত্রনা থেকে প্রায় মুক্ত হয়েছে। তারপরও বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধির প্রধান অন্তরায় বিদ্যুত্। তাই নয়টি বড় বিদ্যুত্ প্রকল্পে ৪ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলার উন্নয়নের জন্য অন্যান্য বছরের ন্যায় এবার আলাদা করে ১৯৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এডিপিতে প্রতিবারের মতো ১ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা জরুরী প্রয়োজনে এ অর্থ ব্যয় করা হবে। এডিপিতে মানবসম্পদ উন্নয়ন তথা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সংশ্লিষ্ট উপখাতগুলোতে মোট বরাদ্দের ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। দেশকে প্রতিযোগিতাশীল বিশ্বের উপযোগী করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সরকারের এ বাড়তি বিনিয়োগ বেশ ফলপ্রসু হবে। কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান স্তম্ভ। তাই কৃষি, পল্লী উন্নয়ন, পানিসম্পদসহ সার্বিক কৃষিখাতে এডিপি’র ২৫ দশমিক ৮ শতাংশ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর ফলে আগামী বছরে কৃষি উত্পাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার পথ সুগম হবে। গ্রামীণ অবকাঠামোর ব্যাপক উন্নয়ন হবে। যোগাযোগ খাতের বিশাল ব্যয় যা এডিপি’র ২৩ দশমিক ৩ শতাংশ অত্যন্ত যুগোপযোগী হয়েছে। এ বাজেটে নারীর ক্ষমতায়নকে অধিকতর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। ৪০টি মন্ত্রণালয়ে জেন্ডার বাজেট করা হয়েছে।
প্রতিবারের মতো এবারও ঘাটতি বাজেট দেয়া হয়েছে। সার্বিকভাবে বাজেট ঘাটতি দাঁড়াবে ৬৭ হাজার ৫৫২ কোটি টাকা। যা জিডিপি’র পাঁচ শতাংশের মধ্যেই আছে। ফলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা সরকারের পক্ষে সহজতর হবে। এই ঘাটতির ২৪ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা যোগান দেয়া হবে বৈদেশিক উত্স থেকে এবং অভ্যন্তরীণ উত্স থেকে ৪৩ হাজার ২৭৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। অভ্যন্তরীণ উত্স হিসেবে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ৩১ হাজার ২২১ কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক-বহির্ভুত উত্স থেকে ১২ হাজার ৫৬ কোটি টাকা সংগৃহীত হবে বলে বাজেট প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ নিয়ে বাজেট ব্যয় নির্বাহ করার বিষয়টি ঝুঁকিপূর্ণ। এতে বিনিয়োগের জন্য ঋণদান বাধাগ্রস্ত হতে পারে। মূল্যস্ফীতি ঘটতে পারে। তাই এ ক্ষেত্রে সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে। মুদ্রানীতিকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে হবে। বাজেটে বেসরকারী খাতে বিনিয়োগ পরিস্থিতি উন্নতির চ্যালেঞ্জ গুরুত্ব পেয়েছে। যদিও প্রতিবছরই সরকারী বিনিয়োগ বাড়ছে। তবে এতে স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ তেমন হয় না। তাই বাজেটে বিনিয়োগ আকর্ষণের প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়। বাজেটে করমুক্তি আয়সীমা চলতি অর্থবছরের ন্যায় ২ লাখ ২০ হাজার টাকা রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। নারী, সিনিয়র সিটিজেন, প্রতিবন্ধী ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো হয়েছে। এটি একটি মহতী উদ্যোগ। এতে সরকারের কল্যাণমুখী চিন্তাচেতনারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। নতুন অর্থবছরের বাজেটে আমদানির ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে আমদানিকৃত পণ্যের দাম বাড়বে। কিন্তু দেশে উত্পাদিত পণ্য প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার প্রয়াস পাবে।
বর্তমান আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার ২০১৪ অনুযায়ী সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্য রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়ন করা। এ জন্য প্রণীত হয়েছে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০১০-২১। ইতেমধ্যে ২০০৯-১০ থেকে পাঁচ বছর পার হয়েছে। প্রবৃদ্ধি অর্জনসহ কয়েকটি লক্ষ্য পূরণ হয়নি। আবার দারিদ্র্য হার হ্রাস, সহস্রাব্দ লক্ষ্যমাত্রা ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি অর্জিত হয়েছে। তাই ইশতেহারে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা পুনর্মূল্যায়ন ও সামঞ্জস্যপূর্ণ করার কথা বলা হয়েছে। যা প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে। এডিপি বরাদ্দে প্রায় ৩৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির এটাই বড় কারণ। ইশতেহারে ২০২১ সালের মধ্যে প্রবৃদ্ধি হার ১০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব হলে ২০২১ সালে তা ইপ্সিত লক্ষ্যে উন্নীত করা কঠিন হবে না। পাশাপাশি প্রস্তাবিত বাজেটটি ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার শেষ বাজেট এবং সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ভিত্তি বছরের বাজেট। এর ওপর ২০২১ সালের লক্ষ্য অর্জন অনেকাংশে নির্ভরশীল। তাই এ বাজেটটির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবারের মতো এবারের বাজেটেরও বড় চ্যালেঞ্জ বাস্তবায়ন। বাস্তবায়নের তিনটি দিক আছে।
এক. পর্যাপ্ত অর্থের যোগান সময়মতো দেয়া। যা প্রধানত রাজস্ব আয়ের ওপর নির্ভর করে। চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। অক্টোবর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত আমদানি, সেবাখাতসহ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। বাঙালি সুযোগ পেলে ঘুরে দাঁড়াতে পারে। এবারও তা-ই প্রমাণিত হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি থেকে বেসরকারী বিনিয়োগ, উত্পাদন, সেবাখাতের গতিশীলতা অনেক বেড়েছে। ফলে বিএনপি-জামাতের সহিংসতার ক্ষতি অনেকটাই পুষিয়ে গেছে। কিন্তু সময়মতো অর্থের যোগান না হওয়ায় কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাবে।
দুই. উন্নয়ন প্রকল্প সঠিকভাবে সময়মতো বাস্তবায়ন করা। বাস্তবায়ন সংস্থাগুলোকে আজ থেকেই প্রকল্প ডক্যুমেন্ট চূড়ান্ত করার কাজে নামতে হবে। যাতে আগামী ১ জুলাইয়ে টেন্ডার আহ্বান করা যায়। আর চলমান প্রকল্পগুলোর নিরবচ্ছিন্ন বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। দক্ষ জনশক্তিকে প্রকল্প বাস্তবায়নের সাথে সম্পৃক্ত করতে হবে। বাস্তবায়ন-দক্ষতা আরও বাড়াতে হবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। বাস্তবায়নের প্রতিটি স্তরকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
তিন. প্রকল্প বাস্তবায়নের মান নিশ্চিত করা। এজন্য মনিটরিং ব্যবস্থাকে জোরদার করতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিটি স্তরে অব্যাহত মনিটরিং থাকতে হবে। মনিটরিং যথাযথভাবে হচ্ছে কিনা তা প্রত্যক্ষ করার জন্য কাউন্টার মনিটরিং এর ব্যবস্থা করতে হবে। এই গণমুখী বাজেট তখনই স্বার্থক হবে যখন এর পূর্ণ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। এখানে সকল রাজনৈতিক দল ও সর্বস্তরের জনগণেরও দায়িত্ব আছে। উন্নয়ন-বিরোধী ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডকে নিরুত্সাহিত করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। রাজনীতিকে উন্নয়ন-সহায়ক হিসেবে পরিচালিত করতে দলগুলোকে বাধ্য করতে হবে। তবেই দেশ কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাবে।
সারণী-১: পাঁচ বছরের আয়-ব্যয় ও উন্নয়নের তুলনামূলক চিত্র (কোটি টাকা)
অর্থবছর ২০১০-১১ ২০১১-১২ ২০১২-১৩ ২০১৩-১৪ ২০১৪-১৫ (প্রস্তাবিত)
মোট বাজেট ১,৩০,০১০ ১,৬৩,৫৯০ ১,৮৯,৩২৬ ২,১৬,২২২ ২,৫০,৫০৬
এডিপি (প্রকৃত ব্যয়) ৩৫,৮৮০ ৪১,০০০ ৫৭,১২০ ৬০,০০০ ৮০,৩১৫
রাজস্ব আয় ৯৫,১৮৮ ১,১৮,৩৯০ ১,৩৯,৬৭০ ১,৫৬,৬৭১ ১,৮২,৯৫৪
জিডিপি প্রবৃদ্ধি হার (%) ৬.৭১ ৬.২৩ ৬.০৩ ৬.১২ ৭.৩
মোট জিডিপি ৭,৮৭,৪৯৫ ৯,১৪,৭৮৪ ১০,৩৭,৯৮৭ ১১,৮১,০০০ ১৩,৩৯,৫০০
