যেখানে এগিয়ে ইংল্যান্ড

আপডেট : ০৬ জুন ২০১৪, ২১:৫৯
সর্বশেষ দেশটি বিশ্বকাপ জিতেছিল সেই ১৯৬৬ সালে। এরপর আর বিশ্বকাপ জয় তো দূরের কথা টুর্নামেন্টের ফাইনালেই আর খেলা হয়নি ইংল্যান্ডের। শেষ সেমিফাইনালে উঠেছিল সেই ১৯৯০ সালে। বিশ্বকাপের মাটিতে সাফল্য যতই ইংল্যান্ডের জন্য সোনার হরিণ হোক না কেন, দেশটির ঘরোয়া লিগের প্রচুর খেলোয়াড় প্রতিবারই খেলে বিশ্বকাপের মঞ্চে। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটবে না। ফিফা জানিয়েছে, ৩২টি দলের হয়ে সর্বাধিক ১৩০ জন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের খেলোয়াড় খেলবেন ব্রাজিলে। এই বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের পরেই আছে জার্মানি। বুন্দেসলিগা থেকে বিশ্বকাপ খেলতে আসছেন ১০০ জন খেলোয়াড়। ইতালির লিগ সিরি এ থেকে খেলবেন ৯৭ জন। স্পেনের লা লিগা থেকে ৭৮ ও ফ্রান্সের লিগ ওয়ান থেকে ৬৩ জন খেলবেন এবারের বিশ্বকাপে। বিশ্বকাপে খেলবেন ৩২টি দেশের মোট ৭৩৬ জন খেলোয়াড়। এরা খেলেন ৫১টি ভিন্ন ভিন্ন লিগে। এরা সবাই মিলে খেলেছেন ২৪,৪৪৭ টি ম্যাচ। আর গোল করেছেন ৩,২৮৩টি। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন খেলোয়াড় হলেন স্পেনের অধিনায়ক ও গোলরক্ষক ইকার ক্যাসিয়াস। চার বছর আগে স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ জয়ী রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা খেলেছেন মোট ১৫৩টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ। আবার ২৮ জন এমন খেলোয়াড়ও আছেন যারা কোন ম্যাচই খেলেননি। ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতার দিক থেকেও এগিয়ে আছে স্পেন দলই। দলের খেলোয়াড়রা সব মিলিয়ে ম্যাচ খেলেছেন ১,৩৭৫টি। ২৪৩টি ম্যাচ কম খেলে দ্বিতীয় স্থানে আছে উরুগুয়ে। এই তালিকায় সবার নিচে আছে আলজেরিয়া। তারা সব মিলিয়ে খেলেছে ৩৬৪টি ম্যাচ। এছাড়া ইংল্যান্ডের গোটা দল একসাথে খেলেছে ৬২৬টি ম্যাচ। গোল করার বিবেচনায় সবার চেয়ে এগিয়ে আছে জার্মানরা। সব মিলিয়ে তারা করেছে ২১৯টি গোল। দ্বিতীয় স্থানে থাকা স্পেনের খেলোয়াড়রা করেছেন ২১৭টি গোল। আর্জেন্টিনা দলের মার্টিন ডেমিকেলিস, হুগো ক্যাম্প্যাগন্যারো ও ম্যাক্সি রড্রিগেজ - তিনজনের বয়সই ৩৩। এই সুবাদে দলটির খেলোয়াড়দের গড় বয়স ২৮.৫ বছর। এই দিয়েই বিশ্বকাপের সবচেয়ে বয়স্ক দল হল আর্জেন্টিনা। আর সবচেয়ে কনিষ্ঠ দল হল ঘানা। দলের খেলোয়াড়দের গড় বয়স হল ২৪.৯ বছর। যদিও তাদের আছে মিলানের মার্টিন এসিয়েন যার বয়স ৩০ বছর!