সন্নিকটে বিশ্বকাপ। গুণে গুণে ঠিক পাঁচদিন বাদে পর্দা উঠবে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় আসরের। ব্রাজিলে প্রথম পা রেখেছিল অস্ট্রেলিয়া। এরপর থেকেই একে একে আসতে শুরু করেছে অন্যরাও। বড় দলগুলোর মধ্যে গতকাল শুক্রবার এলো ইতালি।
তবে, ইতালি দলের ১২ ঘণ্টার ভ্রমণটা হয়তো ঠিক আরামদায়ক ছিল না। অন্তত নয়জন খেলোয়াড়ের সেটা পরিষ্কার বলে দেয়া যায়। বিমান ছোট হওয়ায় নয়জন খেলোয়াড়কে আসতে হয়েছে ইকোনমিক ক্লাসের সিটে। বিমানটি ছিল অল ইতালিয়া ফ্লাইটের একটি বিমান।
দুর্ভাগা সেই নয়জন খেলোয়াড় হলেন - সিরো ইমমোবাইল, অ্যালেসিও সারসি, ম্যাত্তেও ডারমিয়ান, ম্যাত্তিয়া পেরিন, অ্যান্টনিও মিরান্তে, লরেঞ্জো ইনসাইন, ম্যাত্তিয়া ডি স্কিগলিও, আন্দ্রে রানোচ্চিয়া ও মার্কো পারোলো। এদের মধ্যে টোরিনোর স্ট্রাইকার ইমমোবাইল সর্বশেষ সিরি এতে ছিলেন সর্বোচ্চ গোলদাতা।
ভ্রমণের সময় এক দফা এসি মিলানের স্ট্রাইকার মারিও বালোতেল্লি তাদের সাথে দেখাও করে আসেন। শুধু দেখা করেই ক্ষান্ত ছিলেন না ‘ব্যাড-বয়’ ইমেজের এই তারকা। ছবি তুলে সেটা পোস্ট করে দিয়েছেন নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে। গতকাল শুক্রবার সকালে রিও পৌঁছায়ে ইতালি। এরপর রাজধানী থেকে ৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণে ট্রেনিং ক্যাম্প মাঙ্গারাতিবায় পৌঁছায় তারা।
আগামী শনিবার মানাউসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে ইতালির বিশ্বকাপ মিশন। ‘ডি’ গ্রুপে তাদের অপর প্রতিপক্ষরা হলো উরুগুয়ে ও কোস্টারিকা। সর্বশেষ গত বুধবার লুক্সেমবার্গের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করেছে সিজার প্রানদেল্লির দল। এছাড়াও শেষ সাতটি ম্যাচের কোনটিতেই জয় পায়নি ইতালি। যদিও এটাকে বড় কোন সমস্যা হিসেবে দেখছেন না কোচ। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি এতে কোন সমস্যা দেখছি না। এখন আমাদের আসলে ফলাফল নিয়ে খুব বেশি কথা বলার কিছু নেই। খেলোয়াড়দের শারীরিক সুস্থতাটা ধরে রাখাটাই মূলকথা। আর সবাই মোটামুটি সুস্থ আছে। এটা আমাদের জন্য ইতিবাচক ব্যাপার।’
লুক্সেমবার্গের বিপক্ষে ড্র করার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ম্যাচটাকে আমরা স্রেফ প্রস্তুতি হিসেবেই নিয়েছিলাম। আমাদের বাড়তি কোন চাওয়া ছিল না। জিততেই হবে এমন কোন মানসিকতা আমাদের ছিল না। বিশ্বকাপে যখন আমরা খেলতে নামবো তখন সেই ম্যাচটার কথা খুব বেশি মনে না করাই আমাদের জন্য ভাল হবে। এটাতে আমাদের একটু সমস্যা হয়েছে বটে। তবে, ব্রাজিলে আশা করি আমরা পুরানো ছন্দে ফিরতে পারবো।’
