সংখ্যার খেলা

আপডেট : ০৮ জুন ২০১৪, ২২:০৯
এখন আর দিন না গুণলেও চলে; চাইলে ঘণ্টা, মিনিটে হিসাব রাখতে পারেন। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই তো পর্দা উঠবে ব্রাজিল বিশ্বকাপের। দলগুলো সব টান টান প্রস্তুতির চূড়ান্ত অবস্থায় আছে। সবকিছু তৈরি হয়ে আছে উত্সব শুরুর অপেক্ষায়। আপনিও এই সংখ্যাগুলো মনে রেখে প্রস্তুতিটা আরেকটু শক্ত করে ফেলতে পারেন। এবার বিশ্বকাপে সংখ্যার আলোকে ঘটতে যাওয়া অনেক ঘটনা এভাবে তুলে ধরেছে ফিফা ডট কম— জন খেলোয়াড় বিশ্বের ৩২টি দেশের হয়ে পরম সম্মানের এক তালিকায় নাম লিখিয়েছেন। এরাই হলেন এবার বিশ্বকাপের তারকা। জন খেলোয়াড় এর আগেও এক বা একাধিক বিশ্বকাপ খেলেছেন। স্পেনে সর্বাধিক ১৬ জন খেলোয়াড় আছেন বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। এরপর উরুগুয়েতে ১৫ জন এবং ক্যামেরুনে ১৩ জন আছেন। শতাংশ রাশিয়ান খেলোয়াড় নিজ দেশের লিগে খেলেন; এটা বিশ্বকাপের রেকর্ড। ইংল্যান্ড এখানে সামান্য পেছনে আছে। তাদের স্কোয়াদের ৯৫.৬ শতাংশ, মানে ২৩ জনের ২২ জন ইংলিশ লিগে খেলে। বছরে পৌঁছাচ্ছেন ফ্যাবিও ক্যাপেলো। ফলে তিনি এবার বিশ্বকাপের প্রবীণতম কোচ হিসেবে ব্রাজিলে পৌঁছাবেন। একই সঙ্গে তিনি বিশ্বকাপের ইতিহাসের চতুর্থ বয়স্কতম কোচ হচ্ছেন। তালিকার শীর্ষে আছেন ২০১০ সালে গ্রিসের কোচ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকায় যাওয়া অটো রেহাগাল। শতাংশ খেলোয়াড় যাচ্ছেন ইউরোপের লিগগুলো থেকে। বলাই বাহুল্য, বিশ্বকাপে ইউরোপিয়ান লিগের দাপটই বেশি থাকবে। জন খেলোয়াড় এই বিশ্বকাপের মধ্যে নিজেদের জন্মদিন পালন করবেন। উদ্বোধনের দিনে, ১২ জুন চিলির মউরিসিও ইসলা ও অস্ট্রেলিয়ার এউগিনে গালেকোভিচ জন্মদিন পালন করবেন। ১৩ জুলাই ফাইনালের দিন ঘানার জন মেনশাহ ও মেক্সিকোর গুইলেরমো ওছার জন্মদিন। টি ভিন্ন ভিন্ন লিগ থেকে খেলোয়াড়রা এসেছেন বিশ্বকাপে। ইংল্যান্ডের লিগ থেকে সবচেয়ে বেশি খেলোয়াড় এসেছেন। বলাই বাহুল্য, বিশ্বকাপে খেলবে না এমন অনেক দেশের লিগের প্রতিনিধিত্ব থাকছে। এর মধ্যে তুরস্ক লিগ থেকে সবচেয়ে বেশি ২৬ জন খেলোয়াড় আছেন বিশ্বকাপে। বছর বয়সী ফ্রেড মন্ড্রাগন হতে যাচ্ছেন এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ খেলোয়াড়। একই সঙ্গে ১৯৯৪ সাল থেকে এই নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন তিনি। জন আলজেরিয়ার খেলোয়াড় ভিন্ন ভিন্ন ২৩টি ক্লাব থেকে এসেছেন! বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই ঘটনা দ্বিতীয় বার ঘটল। এর আগে গত বিশ্বকাপে সার্বিয়া এরকম বাহিনী নিয়ে এসেছিল। জন খেলোয়াড়ের সামনে দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের সুযোগ আছে। স্বাভাবিকভাবেই ১৬ জন স্প্যানিশের সামনে আছে সুযোগটা। আর আছে চার জন ইতালিয়ান—বুফন, ডি রসি, পিরলো ও বারজাগলির সামনে সুযোগ।