তিন বছরে বিমানের ৯১৫ কোটি টাকা লোকসান

আপডেট : ০৯ জুন ২০১৪, ২১:৫৩
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন জানিয়েছেন, ২০১২-১৩ অর্থবছরে বিমানের একশ ৯১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। যা ২০১১-১২ অর্থবছরে ছিল পাঁচশ ৯৪ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং ২০১০-১১ অর্থবছরে ছিল ২২৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা। সোমবার জাতীয় সংসদে শরীফ আহমেদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান। এম আবদুল লাতিফের এক প্রশ্নের জবাবে বিমান মন্ত্রী বলেন, বিমানকে লাভজনক করার লক্ষ্যে নানাবিদ পদক্ষেপ ও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বিমানের লোকসানের কারণগুলো হলো- বিমানের জ্বালানি খরচ মোট পরিচালনা ব্যয়ের প্রায় ৪৮ ভাগ। বিমানের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় ৪৫ ভাগ বাংলাদেশ থেকে সংগ্রহ করা হয় এবং এই তেল খরচ বিদেশের তুলনায় ৩০ ভাগ বেশি। বিমান বহরে নতুন উড়োজাহাজ সংযোজনের ফলে ২০১১-১২ অর্থবছরে একশ ১২ কোটি ৮ লাখ এবং ২০১২-১৩ অর্থ বছরে একশ ৮৯ কোটি ৬৯ লাখ টাকা অপচয় খরচ হিসেবে যুক্ত হয়েছে। নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহের জন্য ঋণ গ্রহণের ফলে সুদ বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। লিজ উড়োজাহাজের মাধ্যমে ফ্লাইট পরিচালনার লিজ রেন্ট বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকতে পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি করতে না পারায় বিমানে লোকসান হচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটে নাম অন্তর্ভুক্ত শেষ ৩০ জুন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটে যারা নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারেনি তাদেরকে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্তির বিষয়টি চলমান প্রক্রিয়া হলেও ৩০ জুনের পর আর কোন আবেদন গ্রহণ করা হবে না। স্বাধীনতা পদক শিল্ডে স্বর্ণ চুরি দু:খজনক জাতীয় পার্টির (জাপা) একেএম মাইদুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, সমপ্রতি স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রাখার জন্য দেশি-বিদেশি ব্যক্তিদের দেয়া স্বাধীনতা পদক শিল্ড নির্মাণে স্বর্ণ চুরির ঘটনা দুঃখজনক। ব্যাপারটি তদন্তনাধীন। তদন্তের মাধ্যমে দায়-দায়িত্ব নিরুপণ করে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।