ইচ্ছাশক্তির জোরে চাকরি করে সংসার চালান সোমা

আপডেট : ০৯ জুন ২০১৪, ২২:২০
সময় বাঁচাতে ব্যবহার করেন বাইসাইকেল নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার জেলার ফাড়ংপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা দুই সন্তানের জননী সোমা ভট্টাচার্য্য ওরফে পাপিয়া বাইসাইকেলে চড়ে দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে সময়মত স্কুলে হাজির হন প্রতিদিন। সঠিক সময়ে এবং নিরাপদে গন্তব্য স্থানে পৌঁছার বাহন হচ্ছে তার একমাত্র ভরসা বাইসাইকেলটি। অদম্য ইচ্ছা শক্তির ওপর ভর করে নিষ্ঠার সাথে তিনি সংসার ও শিক্ষকতার কাজ সুনামের সাথে করে যাচ্ছেন। সোমা ভট্টাচার্য্যের বাবার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবে। ময়মসিংহের আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে অর্থনীতিতে অনার্স পাস করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় যোগ দেন। পড়ালেখা করা কালীন সময়ে ১৯৯৮ সালের শেষের দিকে জেলার দুর্গাপুরের গুজিরকোনা গ্রামের মাখন চক্রবর্তীর ছেলে কলেজ শিক্ষক উত্তম চক্রবর্তী সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০০৭ সালে দুর্গাপুরের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। ১১/১২ কিলোমিটার পথ তাকে কিছুদিন রিকশা, অন্যের মোটরসাইকেল ও পায়ে হেঁটে কষ্ঠ করে যেতে হয়েছে। স্বামীর সাথে আলোচনা করে স্কুলে সহজে যাবার জন্য বাইসাইকেল কিনেন। সাইকেল শিখে তিনি সময়মত স্কুলে যান এবং স্কুল শেষে বাড়ি ফিরেন। এখন তিনি ফাড়ংপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি হয়ে এসেছেন। বাসা থেকে বিদ্যালয়ের দূরত্ব প্রায় ৪ কিলোমিটার। সাইকেলে যাতায়াতে সমস্যা হয় কিনা জানতে চাইলে বলেন, এখন আর কোন অসুবিধা হয় না, অভ্যাস হয়ে গেছে। এখন নিয়মিত সাইকেলে করেই আসা যাওয়া করি।