আইবিএফবি’র বাজেট প্রতিক্রিয়া

চ্যালেঞ্জিং বাজেট, বাস্তবায়নে দরকার সুশাসন ও দক্ষতা

আপডেট : ১০ জুন ২০১৪, ২০:২৬
আগামী ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশ (আইবিএফবি) একটি সময়োপযোগী ও চ্যালেঞ্জিং বাজেট বলে মনে করে। এই বাজেট বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে সরকারের দক্ষতা, রাষ্ট্রযন্ত্রের সর্বস্তরে সুশাসন নিশ্চিত করা এবং আগামী দিনগুলোতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। প্রস্তাবিত বাজেট বিষয়ে প্রতিক্রিয়ায় আইবিএফবি এ অভিমত ব্যক্ত করেছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, বাজেটের সবচেয়ে প্রশংসনীয় দিক হল দেশীয় উত্পাদনমুখী শিল্প যেমন- ওষুধ শিল্প, এলপিজি সিলিন্ডার, লোহা ও ইস্পাত, জাহাজ নির্মাণ শিল্প, দেশীয় কাগজ, সিরামিক, রাবার, ইলেকট্রিক্যাল পণ্য, কাঁচ, প্লাস্টিক শিল্প ইত্যাদিকে সুরক্ষা দান করার জন্য প্রস্তাবিত পদক্ষেপসমূহ। এক্ষেত্রে স্থানীয় শিল্পে উত্পাদিত বিভিন্ন পণ্যের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক হ্রাস এবং সেইসাথে একই ধরনের পণ্যের আমদানিতে শুল্ক বৃদ্ধি একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। যা দেশীয় শিল্প বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। অন্যদিকে নিত্যপণ্যসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে স্থানীয় ঋণপত্রের উপর উেস কর প্রত্যাহার দেশে বর্তমানে প্রায় স্থবির ব্যবসা-বাণিজ্যে কিছুটা গতিশীলতা আনতে পারে। বাজেটের সঠিক বাস্তবায়নে পূর্বশর্ত হচ্ছে সুশাসন। আইবিএফবি বিশ্বাস করে সুশাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের আমলাতন্ত্রের দক্ষতা বৃদ্ধি সম্ভব এবং বাজেটের সফল বাস্তবায়নে আমলাতন্ত্রের দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সম্পৃক্ততাও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। প্রস্তাবিত বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর মাধ্যমে ১,৪৯,৭২০ কোটি টাকা আয় করা হবে। যার মধ্যে আয়কর ৩৭.৫%, মূল্য সংযোজন কর (মূসক) ৩৬.৭% এবং আমদানি শুল্ক ও অন্যান্য উত্স থেকে ২৫.৮% নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়নে দরকার সরকারের দক্ষতা ও স্বচ্ছতা।