অন্তহীন সমস্যায় জর্জরিত মুক্তাগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

আপডেট : ১০ জুন ২০১৪, ২১:৫৬
নানা সমস্যা নিয়ে খুড়িয়ে চলছে মুক্তাগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম। মুক্তাগাছা এবং তত্সংলগ্ন এলাকার প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালে নয় জন ডাক্তারের স্থলে কর্মরত আছেন দুই জন। ডাক্তার থাকলেও তারা আছে ডেপুটেশন, ট্রেনিং আর বদলিতে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং আরএমও দুই জনকে প্রশাসনিক কাজের বাইরে দিতে হয় চিকিত্সা সেবা। উপজেলার রসুলপুর, পদুরবাড়ি, হরিপুর দেওলী ও বটতলা এই ৪টি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ডাক্তার আছে মাত্র দুই জন। এ দুই জন ডাক্তার উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিত্সা দেয়ার পর রোগীদের চাপে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে এসে চিকিত্সা দিয়ে থাকেন। ৮ জন পরিচ্ছন্ন কর্মীর স্থলে আছে মাত্র দুই জন । দুই জনের স্থলে মাত্র একজন নিরাপত্তা কর্মী রক্ষা করছেন হাসপাতাল। গরু ছাগল ভেতরে প্রবেশ করায় মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠে। ৩১ শয্যার হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করে গড়ে তোলা হয় নতুন ভবন। ২ বছর আগে ভবনটির উদ্বোধন করা হয়। কিন্তু প্রশাসনিক অনুমোদন না থাকায় এবং জনবলের অভাবে ঐবিল্ডিং এর কার্যক্রম আজও চালু হয়নি। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুফিয়া শিরিন জানান সমস্যাগুলি স্থানীয় সংসদ সদস্য মহোদয়কে জানানো হয়েছে । পীরগঞ্জ হাসপাতালে ২৪টির মধ্যে ১৭টি ফ্যান বিকল পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) সংবাদদাতা জানান,পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হাসপাতালে গত কয়েক মাস যাবত্ ২৫টি ফ্যান অচল থাকায় রোগী ও চিকিত্সক-কর্মচারীরা প্রচণ্ড গরমে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। রোগীদের ওয়ার্ডে ২৪টির মধ্যে ১৭টি ফ্যান বিকল হয়ে আছে দীর্ঘদিন ধরে। যে ৭টি ফ্যান চালু আছে সেগুলোও ঘুরছে মন্থরগতিতে। ফলে প্রচণ্ড গরমে রোগীদের দুর্ভোগ বেড়ে চলছে। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল মজিদ জানান, ঠাকুরগাঁও স্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরে ফ্যান মেরামতের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোন ফল হয়নি। ঠাকুরগাঁও স্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরে সহকারি প্রকৌশলী জানান, পীরগঞ্জ হাসপাতাল থেকে এ সংক্রান্ত কোন চিঠি পাননি। তিনি আরো জানান, টুকিটাকি মেরামতের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত খরচ করার বিধান রয়েছে। তিনি উক্ত টাকা খরচের ভাউচার দাখিল করলে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর হতে তা নগদে পরিশোধ করার ব্যবস্থা রয়েছে।