টাঙ্গাইলের পাঁচ উপজেলার লক্ষাধিক বিদ্যুত্ গ্রাহকের ভোগান্তি

আপডেট : ১২ জুন ২০১৪, ২২:০৮
১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড নির্মিত সাবস্টেশন এবং ৫৩ কিলো হাই-ভোল্টেজ লাইন প্রান্তিক পর্যায়ে বিদ্যুত্ বিতরণে কাজে আসছে না। ফলে টাঙ্গাইলের পাঁচ উপজেলার লক্ষাধিক গ্রাহকের ভোগান্তির অবসান হচ্ছে না। জানা যায়, ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি-১ টাঙ্গাইলের গোপালপুর, মধুপুর, ধনবাড়ি, ঘাটাইল ও ভূঞাপুর উপজেলায় নির্বিঘ্নে বিদ্যুত্ সরবরাহের জন্য বছর দু’য়েক আগে গোপালপুর উপজেলার বীরনলহরা গ্রামে ৬ কোটি টাকায় ১০ এমভিএ সাবস্টেশন নির্মাণ করে। বিদ্যুত্ সংযোগের জন্য আরো ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে জামালপুর জেলা শহরের পিডিবির গ্রিড সাবস্টেশন পর্যন্ত ৫৩ কিলো দীর্ঘ ৩৩ কেভি লাইন নির্মাণ করে। জামালপুর গ্রিড সাবস্টেশনে যুক্ত হওয়া এ লাইনের শেষ চার কিলো পিডিবির নিজস্ব লাইন। এ পুরনো লাইনের এখন ভগ্নদশা। খুঁটি ও তারে জং ধরেছে। আয়ুষ্কাল গেছে বহু আগেই। গোপালপুর জোনাল ম্যানেজার দেলোয়ার হোসেন জানান, এ জীর্ণ লাইন এখন গলার কাটা। সমিতির বিদ্যুত্ চাহিদা ৩০ মেগাওয়াট। জীর্ণ লাইনে সরবরাহ নিতে হয় বড়জোর ১৮ মেগাওয়াট। লোডশেডিং না থাকলেও কারিগরি সমস্যায় কখনো প্রয়োজনীয় লোড নেয়া যায় না। গ্রীষ্মকালে চাহিদা বাড়লে জীর্ণ লাইনে প্রায়ই আগুন লেগে বিদ্যুত্ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। দমকা বাতাসেও স্পার্ক করে তার ছিঁড়ে পড়ে। মধুপুর জোনাল অফিস জানায়, কারিগরি সমস্যা ছাড়াও জামালপুর পিডিবি বিদ্যুত্ সরবরাহে বৈষম্য করায় চাহিদার এক-চতুর্থাংশ বিদ্যুত্ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে ২৪ ঘন্টার ১৮ ঘন্টাই লোডশেডিং হচ্ছে। গোপালপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার জানান, পল্লী বিদ্যুতের সদর দপ্তর ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলায়। বিদ্যুত্ সরবরাহ করে জামালপুর পিডিবি। গ্রাহক হলো টাঙ্গাইল জেলার। এ ত্রিশঙ্কু অবস্থায় গ্রাহক ভোগান্তি সীমা ছাড়িয়ে গেছে।