কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার চররাজীবপুর বটতলা থেকে বর্ডার হাট সড়কের একটা সেতুর মুখ বন্ধ করে দেয়ার ফলে ১শ’ একর আবাদি জমি অনাবাদি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বন্যার সময়ে পানি নিষ্কাশন হতে না পারায় বিশাল এলাকার জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতে পারে। এতে করে মিয়াপাড়া, জালচিরাপাড়া, সান্তারপাড়া, ব্যাপারী পাড়া, বালিয়ামারী মন্ডলপাড়া, বালিয়ামারী মধ্যপাড়া ও কাচানিপাড়া এলাকায় প্রায় ১শ’ একর আবাদি জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি’র অধীনে ওই সেতুটি গত ৫ বছর আগে সংস্কার করে নতুনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। যাতে বর্ষার সময়ে সড়কের দু’পাশে পানির সমন্বয় থাকে। কিন্তু আব্দুল জব্বার নামের এক ব্যক্তি দুই মাস আগে সেতুর উত্তরপাশের মুখ বন্ধ করে বাড়ি নির্মাণ করে। এসময় এলাকার কৃষকরা বাধা দিলেও একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির সহযোগিতায় বাড়ি-ঘর উঠানো হয়েছে। বর্ষার সময়ে সেতুর উভয়পাশে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে। এই আশঙ্কায় এলাকার অসংখ্য কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়েছে। সেতুর মুখ বন্ধ করে বাড়ি তৈরি করা আব্দুল জব্বারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার জমিতে আমি ঘর তুলছি। এতে সেতুর মুখ বন্ধ হয়েছে তাতে আমার কি। আমি তো আর সেতুর জায়গায় ঘর তুলি নাই।’ সেতুর কাছেই সাবেক ইউপি মেম্বার চান মিয়ার বাড়ি। তিনি বলেন, ‘সেতু দিয়ে পানি বের হতে না পারলে দক্ষিণ দিকে বিশাল এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে। এতে অনেক আবাদি জমি হয়ে উঠবে অনাবাদি।’
