নাগেশ্বরীতে ৩ বছর বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকে এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে বেতন উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা বিঘ্নিত হওয়ায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। উপজেলার হাতিয়ার ভিটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শিরিন আকতার পলাশের স্বামী ঢাকার একটি প্রাইভেট কোম্পানীর কমকর্তা এবং একমাত্র ছেলে ঢাকায় একটি স্কুলে পড়ালেখা করায় ৩ বছর ধরে স্বামীর সাথে ঢাকায় থাকেন। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির একাধিক সদস্য বলেন, ক্লাস্টার এটিও এবং প্রধান শিক্ষককে উেকাচ দিয়ে বছরে দুই থেকে তিনবার বিদ্যালয়ে হাজিরা দিয়ে বেতন উত্তোলন করেন। প্রধান শিক্ষক আল-আমিন বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষক ছুটিতে রয়েছেন। এলাকাবাসী জানান, নিজের ছেলেকে ঢাকায় পড়ালেখা করাতে গিয়ে নিজের বিদ্যালয়ের ৩২৪ শিক্ষার্থীর পড়ালেখা ধ্বংস করছেন। অভিযুক্ত শিক্ষক শিরিন আকতার পলাশের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, উেকাচ নিয়ে বেতন ছাড় দেয়ার কথা সত্য নয়। তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় জানুয়ারি থেকে মার্চ বেতন বন্ধ আছে। তারপরেও তিনি বিদ্যালয়ে নিয়মিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
