হাজী দানেশ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় 

একজন আফজাল হোসেন

আপডেট : ১৭ জুন ২০১৪, ১৯:১৪
প্রত্যেক মানুষেরই জীবনে থাকে একজন প্রিয় শিক্ষক। সেই প্রিয় শিক্ষকের আদর্শ, পরামর্শ এবং তত্ত্বাবধানে একজন ছাত্র তার জীবনের উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছতে পারে। প্রিয় শিক্ষককে অনুসরনের কারণে অনেকের জীবন হয় ধন্য, দেখতে শেখে নতুন করে স্বপ্ন আর সুন্দর আচার-ব্যবহার থেকে শুরু করে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্র হয় মার্জিত। আর শিক্ষাজীবন হয় ফুলের মত রঙ্গিন। আমার ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। আমার শ্রদ্ধাভাজন প্রিয় শিক্ষক হলেন দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. এম. আফজাল হোসেন। বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি বিষয়ে নতুন নতুন গবেষণা আর উদ্ভাবনের জন্য বাংলাদেশসহ বিশ্বের যে কয়জন খ্যাতিমান বিশিষ্ট গবেষক রয়েছেন তাঁদের মধ্যে আমার শ্রদ্ধাভাজন প্রিয় শিক্ষক প্রফেসর ড. এম. আফজাল হোসেন অন্যতম। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দিন থেকেই শ্রদ্ধেয় স্যার প্রফেসর ড. এম. আফজাল হোসেনকে করে নিই আপন এবং আমার হূদয়ের মনিকোঠায় স্থান দখল করে নেন প্রিয় শিক্ষক হিসেবে। স্যারের সান্নিধ্যে এসে আমি খুঁজে পেয়েছি জীবনে বড় হবার পথ আর দেখতে শিখেছি স্বপ্ন। আমার প্রিয় শিক্ষক শ্রদ্ধেয় ড. আফজাল স্যার দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি বিশ্ববিদ্যালয় ও কৃষিক্ষেত্রে সেন্টার অব এক্রিলেন্স হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি বিভাগে অধ্যাপনা করছেন। এর আগে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ উপাচার্য হিসেবে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. এম. আফজাল হোসেন অত্যন্ত সফলতার সাথে শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ত্বরান্তিত করতে গত ২০০৮ থেকে ২০১২ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। হ্যাঁ এতক্ষণ আমার প্রিয় শিক্ষক বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. এম. আফজাল হোসেন এর কথাই বলছিলাম। যার ছাঁয়া, দিকনির্দেশনা এবং যাকে অনুসরণ করে আমার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাজীবনের শুরু। সেইদিন থেকেই প্রফেসর আফজাল স্যার আমার প্রিয় শিক্ষকের স্থান দখল করে নেন।