এখন থেকে সমস্যাগ্রস্থ ব্যাংক বহির্ভুত আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্বল দিক সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে চিহ্নিত হবে। এ ব্যবস্থায় ক্যামেলস রেটিং-কে ইনপুট হিসেবে ব্যবহার করলেই আউটপুট পাওয়া যাবে। ফলে নিয়ন্ত্রকারী প্রতিষ্ঠান হিসাবে বাংলাদেশ ব্যাংক খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। যার ফলে সম্ভাব্য ক্ষতির হাত থেকে প্রতিষ্ঠানগুলোকে রক্ষা করা যাবে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতি থেকে যেমন রক্ষা পাওয়া সম্ভব তেমনি অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও অটুট রাখা সম্ভব।
গতকাল মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত একটি ডিজিটাল নীতিমালার উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান। এসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নররা, নির্বাহী পরিচালকরাসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে গভর্নর বলেন, আর্থিক সক্ষমতার বিচারে দুর্বল অ-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্বল দিকগুলো উদ্ঘাটনের লক্ষ্যে এ নীতিমালা। ইতিমধ্যে ক্যামেলস রেটিং, স্ট্রেস টেস্টিং, ব্যাসেল ইত্যাদি নীতিমালা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যে প্রণয়ন করা হয়েছে যা আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়ক ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক উপযুক্ত নীতি-পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল বলেই আর্থিক খাতের তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি। কৃষি, এসএমইসহ আর্থিক খাত ভালো করার কারণেই দেশের অর্থনীতির সূচকগুলো স্বস্তিদায়ক অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ এখন আর্থিক অন্তভুক্তির রোল মডেল হিসেবে সারা বিশ্বেই তার পরিচয় তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে। আর্থিক স্থিতিশীলতার বিচারেও বাংলাদেশ এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
