গান-কবিতায় বর্ষাবন্দনা

আপডেট : ১৮ জুন ২০১৪, ২০:০০
‘গুরুগুরু মেঘ গুমরি গুমরি গরজে গগনে গগনে, গরজে গগনে...’ অথবা ‘বরিষ ধারা মাঝে শান্তিরও বারি...’ এমনই নানা গান-কবিতায় গত ১৫ জুন পহেলা আষাঢ় নগরে হয়ে গেল বর্ণিল বর্ষাবরণ অনুষ্ঠান। আষাঢ়ের প্রথম দিনে নানা আয়োজনে বর্ষাবরণ করেছে বাচিক শিল্প চর্চা কেন্দ্র ‘তারুণ্যের উচ্ছ্বাস’। নগরীর জেলা শিল্পকলা একাডেমী মুক্তমঞ্চে বর্ষাবরণের মূল এ আয়োজনটির সহযোগিতায় ছিল ভারতীয় সহকারী হাই কমিশন চট্টগ্রাম। বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে ঢাক বাজিয়ে আয়োজনের উদ্বোধন করেন দেশবরেণ্য কবি নির্মলেন্দু গুণ। উদ্বোধনের পর বক্তব্য রাখেন ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার সোমনাথ হালদার। এরপর শুরু হয় উদ্বোধনী বর্ষা আবাহন পর্ব। এ পর্বে কথামালা, গান ও কবিতায় বর্ষা আবাহন করেন দেশবরেণ্য কবি নির্মলেন্দু গুণ এবং আবৃত্তিশিল্পী রণজিত্ রক্ষিত । কবি নির্মলেন্দু গুণ কথামালা ও তাঁর কয়েকটি বর্ষার কবিতা পাঠ করেন। আবৃত্তিশিল্পী রণজিত্ রক্ষিতের পরিবেশনায় ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বর্ষামঙ্গল’ কবিতাটি। এরপর সংগীতশিল্পী শ্রেয়সী রায় রবীন্দ্রনাথের বর্ষা পর্যায়ের বেশ কয়েকটি গান পরিবেশনের মধ্যদিয়ে বর্ষা আবাহন করেন। অনুষ্ঠানে দলীয় সংগীতে রক্তকরবী এবং অভ্যূদয় সংগীত অঙ্গনের পরিবেশনায় ছিল ‘এসো শ্যামল সুন্দর’, ‘মোর ভাবনারে কি হাওয়ার মাতালও’, ‘যায় দিন শ্রাবণও দিন যায়’সহ বেশ কয়েকটি গান। এরপর একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন দেশের জনপ্রিয় আবৃত্তিশিল্পী শিমুল মুস্তাফা। তিনি প্রায় দশটি বর্ষার কবিতা আবৃত্তি করেন। এছাড়া আবৃত্তি করেন আবৃত্তিশিল্পী মিলি চৌধুরী, মো. মুজাহিদুল ইসলাম এবং শ্রাবণী দাশগুপ্তা। তারুণ্যের উচ্ছ্বাস বড়দের বিভাগ এবং শিশু বিভাগ পরিবেশন করে ‘নববর্ষা’ এবং ‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর’ শিরোনামে দুইটি বৃন্দ আবৃত্তি। সংগীত পরিবেশন করেন মিঠু তলাপাত্র, বৈশাখী নাথ এবং আল তুষি। এছাড়া আবৃত্তিশিল্পী অঞ্চল চৌধুরীর কণ্ঠে বেশ কয়েকটি বর্ষার কবিতার কোলাজের সাথে নৃত্য পরিবেশন করেন নৃত্যশিল্পী তিলোত্তমা সেনগুপ্তা। দ্বৈত নৃত্যে ছিলেন রিয়াংকা দাশ ও বিথী সেন। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন সাইদুর রহমান এবং সেঁজুতি দে।