‘প্রবীণদের জন্য চাই বর্ধিত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী’

আপডেট : ১৮ জুন ২০১৪, ২১:৩৩
প্রবীণদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতা বাড়ানোসহ সরকারিভাবে প্রবীণদের জন্য আবাসন ব্যবস্থা করার সুপারিশ করেছে ‘ফোরাম ফর দ্য রাইটস অব দ্য এল্ডারলি, বাংলাদেশ-(্এফআরই-বি)’। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ সচেতনতা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা এ দাবি জানান। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাসরিন বেগম, বিশেষ অতিথি হেল্পএইজ ইন্টারন্যাশনালের প্রোগ্রাম ইমপ্লিমেন্টেশেন ম্যানেজার শাওলী ঝর্ণা। স্যার উইলিয়াম বেভারিজ ফাউন্ডেশন হেড অব অপারেশন্স মেজর জেনারেল জীবন কানাই দাসের পরিচালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফোরামের কার্যনির্বাহী সভাপতি ফেরদৌস আরা বেগম, সভাপতি ডা: কেএম রশিদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. এম কবির। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সংস্থার জ্যেষ্ঠ নাগরিকবৃন্দ। মূল প্রবন্ধে ফেরদৌস আরা বেগম বলেন, আমাদের দেশে প্রবীণদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। প্রবীণদের জন্য একটি নীতিমালা পাস হয়েছে। তবে এই নীতিমালার আলোকে দ্রুত আইন প্রণয়ন হওয়া দরকার। তিনি বলেন, আমাদের সমাজের চারপাশে একটু নজর দিলেই দেখা যায়, প্রবীণদের দুর্বিষহ জীবন। তাদের উপর বরাবরই মানসিক চাপ থাকে। তারা অনেক বেশি কাজ করলেও সেই কাজের মূল্যায়ন হয় না। বাজেটে প্রবীণদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতা বাড়াতে আলাদা বরাদ্দের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন তিনি। সেমিনারে প্রবীণ হিন্দু নারীরা তাদের জীবনের দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে বলেন, হিন্দু নারীরা অনেকটা দাসীর মতো। যতদিন সে শ্রম দিতে পারে ততদিনই পরিবারে তার কদর থাকে। কারণ বাবার সম্পত্তি কিংবা স্বামীর সম্পত্তিতে তাদের অধিকার থাকে না। এই নারীরা সম্পত্তিতে অধিকার দাবি করে হিন্দু নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য সম্পত্তিতে সমঅধিকার দিয়ে আইন প্রণয়নের কথা বলেন। তারা বলেন, একইদেশে দুই ধরনের আইন থাকতে পারে না।