প্রবীণদের জন্য প্রকৃতির নিয়মে সময়ের আবর্তনে উপবিষ্ট একটি পর্যায়। জীবন তার আপন গতিতে এ পর্যায়ে আসে। একে আলাদা করার কোন অবকাশ নেই। তারপরও সারা জীবন সমাজে, সংসারে, কর্মজীবনে নিজের ভূমিকা পালন করে প্রবীণকালে উপেক্ষিত হন মানুষ। যা চরম মানবতার অসম্মান। এ অসম্মান নিজেদের মধ্যে স্থান না দিয়ে মানুষের পক্ষে, মানুষের জন্য মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, তা সে প্রবীণকালেও। বৃহস্পতিবার নগরীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘ ও জরা বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত এক আড্ডায় এ আহবান জানানো হয়।
‘প্রবীণ মিলনমেলা ও আড্ডা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে সংঘের সিনিয়র সভাপতি ফরিদা শহিদুল্লাহ মণির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক সচিব বদিউল আলম। এসময় সংঘের মহাসচিব ড. এএসএম আতিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা এমন আড্ডার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে বলেন, আমরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের ভিত্তি স্থাপন করতে চাই। আদান-প্রদান যত হবে, ততই বেরিয়ে আসবে আমাদের প্রত্যেকের জীবন-যাবনের অসঙ্গতি। প্রবীণদের বিনোদন, সঠিক জীবন-যাপন প্রদ্ধতি, চিকিত্সা, খাদ্য ও প্রীতি-ভালোবাসার সমাজ গঠনের আহবান জানান। তারা বলেন, নির্বাচনের সময় প্রবীণদের সাথেও মিথ্যে আশ্বাসের খেলা করা হয়। যা একটি আধুনিক রাষ্ট্রের কাম্য হতে পারে না।
বরং প্রবীণদের প্রতি অধিক যত্নশীল হওয়াই সকলের কর্তব্য, রাষ্ট্র এক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করবে। বক্তারা নিজেদের প্রবীণ হিসেবে নয়, মানুষের পরিচয়ে পরিচিত করতে এবং আচরণ করতে সকলকে অনুরোধ করেন। অনুষ্ঠানে প্রীতিভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন ছিল।
