বিশ্বকাপই শেষ রোনালদোর?

আপডেট : ১৯ জুন ২০১৪, ২২:০১
অভাবনীয় কিছু না ঘটলে বিশ্বকাপের চলতি আসরে আর মাঠে নামা হচ্ছে না ক্রিশিয়ানো রোনালদোর। নাম প্রকাশ না করার শর্তে পর্তুগাল দলের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে তেমনটাই। গত মৌসুমের শেষ দিক থেকে শুরু করে একের পর এক চোটে বিপর্যস্ত রোনালদো গত বুধবার সতীর্থদের সাথে অনুশীলনও সম্পন্ন করতে পারেননি। হাঁটুর ব্যথা সহ্যের মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে সেখানে তাত্ক্ষণিক বরফ বেঁধে অনুশীলন মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাকে। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে শেষ দিকে দেপোর্তিভো লা করুনার বিরুদ্ধে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর ম্যাচ দিয়ে চোটের শুরু। হাঁটুর সেই চোট নিয়ে শুরুতে কয়েকদিন খেলে গেলেও লা লিগা শিরোপা জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়ে গেলে রোনালদোকে শেষ দিকের ম্যাচগুলোতে ঝুঁকি নেননি কার্লো অ্যানচেলোত্তি। চোট কাটিয়ে ফেরায় অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক না হওয়ায় খেলতে শঙ্কা জেগেছিল অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল খেলা নিয়েও। তবে ট্রান্সফার ফির বিশ্বরেকর্ড গড়ে রিয়ালে যোগ দেয়া তারকাটি স্প্যানিশ জায়ান্টদের হয়ে প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালটা মিস করতে চাননি কিছুতেই। ফলে, প্রায় আনফিট এক রোনালদোকে লিসবনের ফাইনালে দেখেন সবাই। একটি গোল করে রিয়ালের লা দেসিমা বা দশম শিরোপা জেতায় ভূমিকাও রাখেন তিনি। তবে, চিকিত্সকদের মানা উপেক্ষা করে খেলতে নামাটা রোনালদোর জন্য ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াতে পারে এমনটা তখন বলেছিলেন অনেকেই। তবে তাদের কথাকে পাত্তা না দিয়ে জার্মানির বিরুদ্ধে বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচেও খেলতে নামেন তিনি। যদিও, এর আগে উরুর চোটের কারণে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচগুলোতে মাঠে নামা হয়নি তার। জাতীয় দলের ঘনিষ্ঠ ঐ সূত্র অনলাইন ওয়েবসাইট মেট্রোকে জানায়, গোড়ালি, উরু এবং সর্বশেষ হাঁটুর চোটে রোনালদোর এখন অবস্থাটা এমন দাঁড়িয়েছে যে, পরের ম্যাচে মাঠে নামলে শঙ্কা জাগতে পারে রোনালদোর ক্যারিয়ার নিয়েও। যদিও, এই বিষয়ে রোনালদো নিজে কিংবা পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে এখনও কোন জবাব আসেনি। রোনালদো যদি আমেরিকার বিরুদ্ধে আগামী ২২ তারিখের ম্যাচটি খেলতে না পারেন তাহলে সেটা কোচ পাওলো বেন্তোর জন্য বিশাল একটা আঘাত হয়ে আসবে সন্দেহ নেই। কারণ, পর্তুগাল কোচ এরই মধ্যে হারিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের অন্য দুই পর্তুগীজ তারকা ফ্যাবিও কোয়েন্ত্রাও ও পেপেকেও। প্রথমজন ছিটকে গেছেন চোটের কারণে। আর, জার্মানির বিরুদ্ধে লাল কার্ড পাওয়ায় খেলতে পারছেন না পেপে। ওয়েবসাইট