দুই বা তোতোধিক হাড়ের সাহায্যে জয়েন্ট গঠিত। ইহা আমাদের শরীরের ভার বহন করে ও চলাচলে সহায়তা করে। যদি কোন কারণে জয়েন্টে রোগ বা আঘা প্রাপ্ত হলে প্রচুর ব্যথা অনুভব হয়, এমনকি নড়াচড়ায়তেও সমস্যা হয়। এক জাতীয় জরীপে দেখা গেছে যে, বিগত ৩০ দিনের মধ্যে এক তৃতীয়াংশ প্রাপ্ত বয়স্ক লোক জয়েন্টের ব্যথায় ভোগে থাকেন। এ ব্যথা শরীরের যে কোন জয়েন্টে হতে পারে। যেমন- হাঁটু, গোড়ালী, কাধ, কোমড় ইত্যাদি। বয়সের সাথে সাথে এ ব্যথা আরও তীব্রতর হয়। এ ব্যথা বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে।
জয়েন্টের ব্যথার কারণ
বাতজ্বর
বাহের ব্যথা যেমন রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস।
অস্টিও আর্থ্রাইটিস
গাউট
জয়েন্ট আঘাত প্রাপ্ত হলে
এনকাইলসিস স্পনডাইলসিস
হাড়ে ক্যান্সার হলে
হাড় ভেঙ্গে গেলে বা ফেটে গেলে
ব্রার্সাইটিস
হাড় সরে গলে
ফ্রাইব্রোমায়ালজিয়ো
হাইপোথাইরয়েডিজম
অস্টিওমায়ালটিস
অস্টিও ম্যালাশিয়া
লিউকোমিয়া
লুপাস অর্থ্যাত্ জীবানু দ্বারা সংক্রমিত হলে
লিম ডিজিস, রিকেট্স
স্পেটিক আর্থ্রাইটিস
বারোনিক ফ্যাটিক সিনড্রোম
জয়েন্টে টিউমার হলে, লিগামেন্ট, টেনডন কার্টিলেজ ছিড়ে গেলে।
মাংসপেশী ছিড়ে গেলে বা মচকালে।
হেড নেক ক্যান্সা হলে।
টেন্ডিনাইটস হলে
এভাসকুলার ন্যাকরোসিস হলে।
রোগের লক্ষণসমূহ
জয়েন্টে পেইন হওয়া
জয়েন্ট ফুলে যাওয়া বা পানি আসা।
জয়েন্টে লালচে ভাব ও গরম অনুভতি হওয়া।
জয়েন্টের কার্যক্রম ক্ষমতা হ্রাস পাওয়া।
জয়েন্ট শক্ত হয়ে যাওয়া।
শরীর দুর্বল ও ক্লান্ত লাগা।
মাঝে মাঝে অবশ অবশ লাগা।
কখনো কখনো সারা শরীরে ব্যথা হওয়া।
মাংসপেশী সংকুচিত হয়ে যাওয়া।
জয়েন্টের চার পাশের চামড়া পাতলা হয়ে যাওয়া।
অন্যান্য লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে, বুকে ব্যথা অনুভব করা, রক্তশূন্যতা, চোখের সমস্যা হওয়া, শরীর ম্যাজ ম্যাজ করা ইত্যাদি।
চিকিত্সা
জয়েন্টে পেইনের সমস্যাগুলো কখনো কখনো মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। তাই রোগীকে প্রথমত অভিজ্ঞ ফিজিশিয়ানের নিটক যেতে হবে। তার পরামর্শে একজন অভিজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্ট দ্বারা ফিজিওথেরাপি নিয়ে জয়েন্টের ব্যথা থেকে মুক্ত থাকুন। কারণ জয়েন্ট পেইন লাঘবে ফিজিওথেরাপি খুবই কার্য়কর চিকিত্সা ব্যবস্থা।
ডা:সুস্মিতা ঘোষ (পিটি)
পেইন এন্ড ফিজিওথেরাপি স্পেশালিস্ট
পেইন এন্ড ফিজিও সেন্টার
(যমুনা ব্যাংকের উপরে)
বাড়ি ১৭/১, রোড ৬, ধানমন্ডি, ঢাকা
