ম্যাচের ৬১ মিনিটের ঘটনা! রাহিম স্টার্লিংয়ের হাঁটুতে মাথা লেগে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন উরুগুয়ের আলভারো পেরেইরা। নিস্তেজ শরীরটা মাঠে নিস্তেজ হয়ে পড়ে রইলো।
না, বড় কোনো বিপদ ঘটেনি। মিনিটখানেক বাদেই উঠে দাঁড়িয়েছেন। তবে, দলের চিকিত্সকরা এই ফুল ব্যাককে ম্যাচের বাকিটা খেলতে নিষেধ করলেও সেটা মানেননি তিনি। বদলিও নামাতে দেননি। অনেকটা জোর করেই মাঠে নেমে গেলেন। তবে, দেরিতে হলেও নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন ২৮ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়। গত বৃহস্পতিবার রাতের সেই ম্যাচের প্রসঙ্গে নিজের ভুল স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘ঘটনাটা পাগলামী থেকে হয়ে গেছে। আমি জানি ডাক্তারদের কাজ হল খেলোয়াড়দের সুস্থতার দিকে খেয়াল রাখা। ম্যাচ শেষে আমি তাদের কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছি।’
সে সময় আসলে কি হয়েছিল সেটা পরিষ্কার করে বলতে পারলেন না আলভারো, ‘আমার দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসছিল। বেশি গরমের কারণেই মনে হয় এরকম হয়েছে। আমি ঠিকভাবে কোনো কিছু ভাবতেও পারছিলাম না। পরিষ্কারভাবে সব ঘটনা মনেও নেই।’
উরুগুয়ে দলের জন্য ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল মহাগুরুত্বপূর্ণ। সেই ম্যাচটি হারলেই হয়তো গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়ে যেতে হত দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের। তাই, ম্যাচ খেলতে মরিয়া ছিলেন আলভারো, ‘সময়টা অন্যরকম ছিল। আমার খেলাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমি দলের জন্য কিছু একটা করতে চেয়েছিলাম। ম্যাচ থেকে একটা ফলাফল বের করে আনার চেষ্টা করছিলাম আমরা। এখন সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হল আমরা সেটা করতে পেরেছি।’ মাঠের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে, পেশাদার ফুটবলারদের সংস্থা ফিফপ্রো। সংস্থাটির যোগাযোগ বিভাগের প্রধান অ্যান্ড্রু ওরস্যাট্টি ফিফাকে দোষ দিয়ে বলেন, ‘এসব ব্যাপারে ফিফার আরও সতর্ক হওয়া উচিত। সাইডলাইন থেকে ডাক্তারদের পুরো সম্মতি ছাড়া কিভাবে পেরেইরা খেলে সেটা বুঝতে পারছি না।’
