ভুয়া ট্রেজারি চালান বানিয়ে কোটি টাকা আত্মসাত্কারী বেগমগঞ্জ উপজেলার অফিস সহকারী জহিরুল ইসলাম প্রাথমিক পর্যায়ে ১৫ লক্ষ টাকা প্রদান করে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেয়ে রাতে স্ত্রী পুত্র কন্যা নিয়ে সরকারি বাসভবনে তালা দিয়ে উধাও হয়ে যায়। তাছাড়া উপজেলা অফিসে তালা বন্ধ করে যাওয়ায় দাপ্তরিক কাজকর্ম স্থবির হয়ে পড়ে। এ ব্যাপারে উপজেলা পরিষদ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
জানা যায়, উপজেলার অফিস সহকারী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বিভিন্ন হাট বাজার, জলমহাল, ভ্রাম্যমাণ আদালত থেকে আদায়কৃত অর্থ ভুয়া ট্রেজারি চালান বানিয়ে বিপুল অর্থ আত্মসাত্ করার ঘটনা ২২শে জুন ফাঁস হয়ে পড়লে তাকে নির্বাহী অফিসার হারুন অর রশিদ আটক করে এবং জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে ও ১৫ লক্ষ টাকা নগদ প্রদান করে। তাছাড়া তদন্ত করে যদি আরো আত্মসাতের ঘটনা প্রকাশ পায় তাহলে ঐ টাকাও পরিশোধ করবে অফিসে এসে তদন্তে সহযোগিতা করবে বলে অঙ্গীকারনামা দিলে তাকে ছেড়ে দেয়। এ ব্যাপারে দৈনিক ইত্তেফাকে সংবাদ প্রকাশের পর সরকারি বাসভবনে তালা দিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে উধাও হয়ে যায়। তাছাড়া উপজেলা দপ্তরে তালা লাগিয়ে যাওয়ায় উপজেলা কাজকর্ম স্থবির হয়ে যায়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার হারুন অর রশিদ জানান, অফিস সহকারী জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাত্, প্রতারণা, জালিয়াতির অভিযোগে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এ ছাড়া পুরো ঘটনা নোয়াখালী জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে।
