এক ধূসর সন্ধ্যেবেলায় নির্জন প্রতীক্ষার ভেতরে যার আসবার কথা ছিল
সে আসেনি। নিঃশব্দে শিকারির জাল এসে পড়ে অপেক্ষার ওপর
ঠা ঠা করে হেসে ওঠে শূন্যতা, দুঃস্বপ্নের দুলুনি শুরু হয় ভরা বরষায়
কে কাকে মনে রাখে? লোভের সাঁকোর ওপর ঘাতক তস্কর, একে তো
অন্ধকার তারওপর সর্বভেদী ছদ্মবেশ চৌদিক আঁধার করে রাখে
হে জলের অবগুণ্ঠন! কেন শ্রাবণগগনতলে উন্মাদ হাওয়ায় তেতোচাঁদ
স্তব্ধ হয়ে ঝুলে পড়ে উচাটন। অধিবিদ্যার শহরে
রক্তবর্ণ বৃষ্টির রঙের সাথে শুরু হয় হূদয় ক্ষরণ। সবুজ ঘাসের দেশে
কার অনুবিধানে স্বপ্নসমূহ টুপটাপ ঝরে পড়ে নগ্ন উদ্যানে?
আমি বুঝি না কেন জলে জঙ্গলে ভয়ার্ত পাণ্ডুবর্ণ মুখ
বিপন্ন বিস্ময়ে বারবার ফিরে ফিরে আসে! মধ্যরাতে প্রহরীর
হাকডাক মনে করিয়ে দেয় পাতার মর্মরশব্দ আর জলের কাতরতা
হে ঈশ্বরিত আগুন! অর্ধেক অচেনা হয়ে দৃশ্যহীন সমুদয় স্বপ্ন
আতঙ্কিত জ্বলে ওঠে, খসে পড়ে নীলাভ সৌন্দর্য, বৃক্ষের অক্ষর, ক্ষুদ্র জোনাকি
