ঈদকে কেন্দ্র করে আপনার ব্যস্ততা?
এই ঈদে আমার পরিচালনায় চারটি নাটক আসছে। সেই কাজগুলো নিয়েই এখন ঈদের ব্যস্ততা। এনটিভির জন্য নির্মাণ করেছি এক ঘণ্টার নাটক ‘সূর্যাস্তের আগে’, চ্যানেল নাইনে ‘প্রেম আসে প্রেম যায়’, বাংলাভিশনে ‘হ্যালো বাংলাদেশ’ ও এটিএন বাংলায় ‘স্যাটেল ম্যারিজ’।
আপনার ‘জিরো ডিগ্রি’ ছবির কাজ কতদূর?
ছবির শুটিংয়ের কাজ তো শেষ হয়ে গেছে ইতোমধ্যে। এই মূহূর্তে ‘জিরো ডিগ্রি’ ছবির পোস্ট প্রডাকশনের কাজ চলছে। এই বছরেই আমরা ছবিটি মুক্তি দেবো। এখন মার্কেটিং ও প্রমোশন নিয়ে কাজ হচ্ছে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন অনিমেষ আইচ। আর এখানে আমি ছাড়াও অভিনয় করেছেন জয়া আহসান, রুহি ছাড়াও অনেকে।
ছবিটি প্রযোজনা প্রসঙ্গে বলুন?
আসলে ছবিটি আমি একা প্রযোজনা করিনি। আমরা তিনজন মিলে লগ্নি যোগান দিয়েছি। আর বড় পর্দা আমার কাছে শুধু পরিচিতির জায়গা না। এখানে জড়িয়ে আছে আমার ভালোবাসা-নেশা। আর আমরা কতদিন পিছিয়ে থাকব। আমাদের চলচ্চিত্রের উন্নয়ন করতে এগিয়ে আসতে হবে আমাদেরই। তাই মাছ ধরতে হলে তো পুকুরে নামতেই হবে। এবং সমস্যাগুলোর সমাধানের পথ আমাদেরই বের করতে হবে।
এত ব্যস্ততার মাঝে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো দেখার সুযোগ পান?
ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়। যেখানে ভালোবাসা আছে সেখানে ব্যস্ততা কোনো বাধা না। আমি ফুটবল খেলা ভালোবাসি। সেই ভালোবাসার টানেই টিভির সামনে বসে যাই।
আপনার সমর্থিত দল?
আমি পুরোদস্তুর ব্রাজিল। ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের মাঝে অন্যরকম এক স্টামিনা আছে। যেমন এবারের আসরে আছে নেইমার, অস্কার। পুরোটা সময়ই মাঠ কাঁপিয়ে রাখে মিডফিল্ডার থেকে স্ট্রাইকাররা।
সাক্ষাত্কার :মোস্তাফিজ মিঠু
