ড. আনিসুজ্জামানকে সংবর্ধনা অধ্যাপক রাজিয়া খান স্মরণ

আপডেট : ২৬ জুন ২০১৪, ২২:০২
এমিরেটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানের পদ্মভূষণ পুরস্কার প্রাপ্তি উপলক্ষে সংবর্ধনা ও অধ্যাপক ড. রাজিয়া খান আমিন স্মরণ সন্ধ্যায় বক্তারা বলেছেন, অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান বেঁচে না থাকলে নতুন প্রজন্মের অনুসরণ করার মত কেউ থাকতেন না। আমাদের সমাজে এই ধরনের মানুষ কমে যাচ্ছে। এই ধরনের মানুষ কমে যাওয়া মানে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র ধ্বংস হয়ে যাওয়া। স্মৃতিচারণ করে বক্তারা বলেছেন, অধ্যাপক ড. রাজিয়া খান আমিন একটি আলোকবর্তিকা। তিনি ছিলেন সত্ ও সাহসী। তাঁর যে সাহস ছিল তা আজকের তরুণ প্রজন্মের জন্য দরকার। বুধবার শাহবাগ পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে বক্তারা এসব কথা বলেছেন। ইন্টারন্যাশনাল পি ই এন বাংলাদেশ সেন্টারের উদ্যোগে এবং এলামনাই নিউজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ড. আনিসুজ্জামান পদ্মভূষণ পুরস্কার প্রাপ্তির অনুভূতি বর্ণনা করে বলেন, প্রতিবেশী দেশের রাষ্ট্রীয় পুরস্কার পাব, এটা আমার জানা ছিল না। আমি প্রথমে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। আমি খুবই অবাক ও আনন্দিত হয়েছি। তিনি বলেন, রাজিয়া খান আমিন ছিলেন সত্ ও সাহসী। খুব ভালো মনের মানুষ ছিলেন। তার কর্ম আমাদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। পিইএন বাংলাদেশ সেন্টারের সেক্রেটারি জেনারেল এম এ কাইয়ুমের স্বাগত বক্তব্যে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কবি ও ভাষা সংগ্রামী সাবির আহমেদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কবি আলম আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তাহমিনা আহমেদ। অনুষ্ঠানে সাবির আহমেদ চৌধুরী বলেন, কবি সাহিত্যিকদের সভ্যতা একদিনে গড়ে ওঠেনি। তাঁরা একক কোন সম্পদ নয়, তাঁরা মানব সভ্যতার সম্পদ। ড. আনিসুজ্জামানকে নিয়ে বাংলাদেশ গর্বিত।