রোজার আত্মিক ও শারীরিক লাভ

আপডেট : ২৮ জুন ২০১৪, ২১:৪৪
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স:) বলেছেন, রোজাদারগণের মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য অভুক্ত থাকার অনেক স্বাস্থ্যগত উপকারিতা আছে। এটা শুধু আধ্যাতিক শান্তি আনে তাই নয় মানসিক ও শারীরিক নানা উপকারে আসে এই রোজা। প্রায় দেড় হাজার বছর পর আজকের চিকিত্সা বিজ্ঞান মহানবী (স:)-এর রোজার উপকারিতা সম্পর্কে সেই মর্মবাণীর যথার্থতাই প্রমাণ করেছে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ ড: রাজিন মারুফ উল্লেখ করেছেন, মানুষের শরীরে যে ক্ষতিকর রসায়ন বা টক্সিক উপাদান জমা হয় তা রমজানে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। এটা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত মঙ্গলজনক। একটি আন্তর্জাতিক নিউট্রিশনাল জার্নালে রমজানে অভুক্ত থাকার উপকারিতা নিয়ে ড: জন এফ ট্রেপানোসিক ও ড: রিচার্ড জে ব্লমার তাদের গবেষণালব্ধ নিবন্ধে উল্লেখ করেছেন ‘রিলিজিয়াস ফাস্টিং’-এর কারণে অটোইমিউন ডিজিজ, ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, কিডনি ডিজিজ, নিউরোজেনারেটিভ ডিজিজ ও শ্বাস যন্ত্রের রোগের প্রবণতা বিলম্বিত করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাল্টিমোরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এজিং-এর গবেষকগণ উল্লেখ করেছেন রোজা মানুষের ব্রেইন পাওয়ার বাড়ায় এবং আলঝেইমারস, পারকিনসন্স এবং অন্যান্য রোগের প্রবণতা হ্রাস করে। রোজাদারগণের অভুক্ত থাকার কারণে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অন্যান্য আরও কিছু স্বাস্থ্য বেনিফিট আছে। গবেষণায় প্রতীয়মান হয়েছে রোজাদারগণের সংযম সাধনের কারণে অ্যাংগার বা রাগ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে অনিয়ন্ত্রিত রাগজনিত উদ্বেগ, উচ্চ রক্তচাপ, হজমের সমস্যা রমজানে অপেক্ষাকৃত কম হয়। তাই রোজার স্বাস্থ্য বেনিফিট অনেক। লেখক : চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ