রোজা:কি খাবেন কখন খাবেন

আপডেট : ২৯ জুন ২০১৪, ২১:৩১
আজ প্রথম রোজা। ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণের কাছে একটি কাঙ্ক্ষিত দিন। সকলে যাতে সুস্থভাবে রোজা রাখতে পারেন তার জন্য খাদ্য তালিকা, ওষুধ সেবন ও আহারের ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন দরকার। যেমন: যারা দু’বেলা রুটি ও একবেলা ভাত খেতে অভ্যস্ত তারা কখন রুটি খাবেন এবং কখন ভাত খাবেন এটা নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে পড়েন। মনে রাখতে হবে ভাত খাওয়ার পর অনেক ক্ষেত্রে অনেকে দুর্বল হয়ে পড়েন। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগী এবং যাদের ব্ল¬াড সুগার বর্ডার লাইন আছে। তাই পুষ্টিবিদদের মতে এসব ক্ষেত্রে সেহেরীতে রুটি, সবজি, আঁশ জাতীয় খাদ্য, চিকেন আহার করা হলে দীর্ঘক্ষণ সজীব থাকা যায়। আর রুটি যেন হয় লাল আটার। অনেকে ময়দার রুটি খেতে পছন্দ করেন। রমজানে লাল আটার রুটি অধিক শক্তিদায়ক। লাল আটা পাওয়া না গেলে যে কোন আটার রুটি খেতে পারেন। ব্ল¬াড সুগারের ঝুঁকিপূর্ণ মুসল্লি¬গণ হালকা ইফতারের পর তারাবী পড়ে ভাত খেতে পারেন। এক্ষেত্রে রাতের খাবার হবে মেইন কোর্স। তবে যাদের ব্ল¬াড সুগার স্বাভাবিক এবং ডায়াবেটিস নেই তারা রাতে অথবা সেহেরীর সময় ভাত খেতে পারেন। তবে সেহেরীর খাবারে যেন প্রচুর আঁশ জাতীয় খাদ্য, মাছ-মাংস, থাকে তা দেখতে হবে। আর রোজায় দীর্ঘক্ষণ অভুক্ত থাকার কারণে অনেক ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে, তাই ইফতার ও সেহেরীর পূর্বে অন্তত ৫ থেকে ৭ গ্লাস পর্যন্ত পানি পান করতে হবে। তবে যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের ২/৩ গ্ল¬াস পানি পানই যথেষ্ট। কারণ ডায়াবেটিস রোগীদের অধিক পানি পানে বেশি প্রশ্রাব হতে পারে। এতে শরীর থেকে সুগার কমে হাইপো গ্ল¬াইসেমিয়া হতে পারে। তাই রোজাদারগণের খাবার নির্বাচন এবং আহারের সময় এবং কোন সময়ে কি আহার করবেন তা অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে। আর যদি আরও বিস্তারিত জানতে হয় তবে যে কোন পুষ্টিবিদ অথবা চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে পারেন। লেখক : চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ