ব্রিটিশ হাই কমিশার মিঃ রবার্ট চ্যাটারটন ডিক্সন বলেছেন, ‘বাংলাদেশ ও বৃটেনের মধ্যে চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে সিলেটের সঙ্গে লন্ডনের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর।’
ব্রিটিশ হাই কমিশনারের সঙ্গে মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতৃবৃন্দের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, ‘ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যথেষ্ট সহযোগিতা প্রদান করে থাকে। তাছাড়া বাংলাদেশীরাও বৃটেনের অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।’
তিনি দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান বাণিজ্য সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, রপ্তানী সহজীকরণ, বাংলাদেশীদের জন্য ভিসা প্রাপ্তি সহজীকরণের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন। এছাড়া তিনি সিলেট চেম্বারের উত্থাপিত প্রস্তাবসমূহ যথাযথভাবে বিবেচনার আশ্বাস প্রদান করেন।
সিলেট চেম্বারের সভাপতি ও এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক খন্দকার সিপার আহমদ মতবিনিময় সভায় মিলিত হওয়ার জন্য বৃটিশ হাই কমিশনারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘সিলেটের একটি বিশাল জনগোষ্ঠী বৃটেনে অবস্থান করছেন। যারা বৃটেনের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি সেতুবন্ধন তৈরি করেছেন।’
তিনি ভিএফএস অফিসে আবেদনকারীদের সুবিধার্থে পজ মেশিনের মাধ্যমে ফি পরিশোধের ব্যবস্থা করা ও পাসপোর্ট রিটার্ন গ্রহণের জন্য এসএমএস প্রেরণের ক্ষেত্রে তারিখ ও সময় উল্লেখ করার অনুরোধ জানান। চেম্বার সভাপতি সিলেটের পর্যটন খাতে বিশেষ করে পিপিপি’র আওতায় ‘সিলেট ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ট্যুরিজম কমপ্লেক্স’ এ বিনিয়োগোর জন্য বৃটেনের বিনিয়োগকারীদের আহবান জানান।
এছাড়া তিনি সিলেটের আইটি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সরাসরি বিনিয়োগের জন্য বিনিয়োগকারীদের আহবান জানান।
আরও পড়ুন: ফেনীর সোনাগাজীর ওসি মোয়াজ্জেম গ্রেফতারের ভয়ে পালিয়েছে
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন বৃটিশ হাই কমিশনের ডিপার্টমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের প্রধান মিঃ ডেরেক গ্রিফিথ্স, ট্রেড এন্ড ইনভেস্টমেন্ট অফিসার দেলোয়ার হোসেন, সিলেট চেম্বারের সহ সভাপতি মোঃ এমদাদ হোসেন, পরিচালক মোঃ হিজকিল গুলজার, পিন্টু চক্রবর্তী, মুশফিক জায়গীরদার, এহতেশামুল হক চৌধুরী, আব্দুর রহমান, চন্দন সাহা প্রমুখ।
ইত্তেফাক/নূহু
