ফুটবল প্রেমীদের জন্য পরামর্শ

আপডেট : ৩০ জুন ২০১৪, ২১:৫৭
বিশ্বকাপের সবচেয়ে শ্বাসরুদ্ধকর পর্বের খেলা চলছে এখন। হারলে বিদায়। যাকে বলা হয় নক আউট পর্ব। স্বাভাবিক খেলে কেউ জিতলো বা হারলো এতে দর্শকদের ওপর বড় ধরনের কোন চাপ পড়ে না। হয়ত ভক্তদের একপক্ষ আশান্বিত বা উজ্জীবিত হন এবং অন্যপক্ষ হতাশ হন, বেদনাহত হন। অনেকে কেদে ফেলেন। কিন্তু ব্রাজিল ও চিলি এবং গ্রীস ও কোস্টারিকার মধ্যে খেলায় ১-১ গোলে অমীমাংসিত থাকায় ভাগ্য নির্ধারণে টাইব্রেকারের আশ্রয় নিতে হয়। মূলত: এই টাইব্রেকার পর্বেই ভক্ত-দর্শকদের ওপর মনস্তাত্ত্ব্বিক চাপ পড়ে। এসময় হার্টের স্পন্দন বাড়তে পারে। বাড়ে পালস রেটও। অনেকের রক্তচাপও খানিকটা বাড়তে পারে। বিশেষ করে যারা হার্টের সমস্যায় ভুগছেন তাদের খেলার ভাগ্য নির্ধারণ পর্বে টাইব্রেকারের মত চরম উত্তেজনাকর মুহূর্তগুলো নিয়ে বেশি উত্কণ্ঠিত না হওয়া উচিত। এতে হঠাত্ হার্ট বিট বাড়তে পারে। ঘটতে পারে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যা। তাই হার্টের রোগীদের চরম উত্তেজনাকর টাইব্রেকার না দেখাই ভালো। তবে যারা ফলাফল স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারেন এবং মনের জোর প্রবল তাদের ক্ষেত্রে মানসিক চাপ তেমন কোন প্রভাব ফেলে না। তবে যারা তাদের প্রিয় দল যেমন: ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা অথবা অন্যকোন দলের পরাজয় মানতে নারাজ তাদের ক্ষেত্রে অবশ্যই মানসিক চাপ কমিয়েই খেলা দেখা উচিত। লেখক : চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ