তাসমিয়া কবীর। বাড়ি ফেনীতে। বেড়ে উঠেছেন ঢাকার উত্তরায়। মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ২০০৫ সালে এসএসসি পাস করেছেন ব্যবসায় শিক্ষা থেকে। ২০০৭ সালে ঢাকা সিটি কলেজ থেকে একই বিভাগ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেছেন। এই ডানপিঠে মেয়েটি ছোটবেলা থেকেই সৃজনশীল কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই সঙ্গীত চর্চার সাথে সম্পৃক্ত। ৬ বছর বয়সে গান শেখা শুরু করেন। সোহেল আহমেদ স্যারের হাত ধরেই গানে হাতেখড়ি। এরপর আলতাব হোসেনের কাছে কিছুদিন গান শিখেছে মেয়েটি। ২০০১ সালে ছায়ানটে ভর্তি হয়েছেন। ২০০৬ সাল পর্যন্ত ছায়ানটে নজরুলগীতি শিখেছেন। পরে আবু বকর সিদ্দিক স্যারের কাছেও কিছুদিন গান শিখেছেন। এরপর একটু বিরতি দিয়ে সুজিত মোস্তফা স্যারের কাছে ক্যাসিকেল শিখেছেন।
তাসমিয়া কবীর বলেন, ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির অভ্যাস ছিল। স্কুলজীবনে কবিতা লিখতাম। সেই কবিতা স্কুলের ওয়াল পেপারে ছাপানো হয়েছিল। পরবর্তীতে ব্লগেও লেখালেখি করতাম। এটা ২০০৬ থেকে ২০০৭ সালের কথা। ব্যস্ততার কারণে লেখালেখির অভ্যাসটা কমে গেছে একদম। তাসমিয়া আরো বলেন, খেলাধুলার ব্যাপারে প্রবল আগ্রহ ছিল সবসময়। স্কুলে থাকতেই হ্যান্ডবল, ব্যাডমিন্টন খেলতাম যা বিশ্ববিদ্যালয় জীবন পর্যন্ত গড়িয়েছে। আন্তঃহল হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় টানা ২ বছর প্রথম রানার আপ হয়েছি। কার্ড খেলতে অসম্ভব পছন্দ করি।
ভবিষ্যত্ পরিকল্পনার জানতে চাইলে তাসমিয়া বলেন, অর্থনীতি পড়ার ইচ্ছা কোন কালেই ছিল না। তারপরও যেই পেশায় থাকি না কেন গবেষক হতে চাই। আমাদের দেশে গবেষণার সুযোগ খুব কম। অর্থায়নের ক্ষেত্রেও পৃষ্ঠপোষক খুঁজে পাওয়া যায় না। তাই উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে ইচ্ছুক। তবে সবশেষে নিজের দেশের মাটিতে ফিরে এসে পথশিশুদের জন্য কাজ করতে চাই।
