সব রপ্তানিমুখী শিল্পের উেস কর সমহার করার দাবি ইএবি’র

আপডেট : ০১ জুলাই ২০১৪, ২১:২৩
রপ্তানির ক্ষেত্রে সকল শিল্পের উেস কর একই হারে করার দাবি জানিয়েছে এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএবি)। সম্প্রতি পাশ হওয়া অর্থবিলের উপর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়েছে। বাজেটে তাদের প্রস্তাবিত বেশকিছু দাবি গৃহীত না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। রপ্তানির অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে এসব দাবি বিবেচনায় নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে উেস কর দশমিক ৮০ শতাংশ থেকে কমিয়ে দশমিক ৩০ শতাংশ করা হয়েছে। গার্মেন্টস পণ্য ছাড়া অন্যান্য পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে উেস কর দশমিক ৮০ শতাংশ থেকে কমিয়ে দশমিক ৬০ শতাংশ করা হয়েছে। গার্মেন্টস ছাড়া অন্যান্য রপ্তানিকারকরা উেস করের এই হারকে বৈষম্যমূলক বলে মনে করছেন। বর্তমানে রপ্তানিতে গার্মেন্টস পণ্যের অবদান প্রায় ৮০ শতাংশ এবং বাদ বাকি রপ্তানি আয়, পাট ও পাটজাত খাত, চামড়া ও চামড়াজাত সামগ্রী, প্লাস্টিক পণ্য, আসবাবপত্রসহ অন্যান্য খাত থেকে আসে। বাজেটে গ্রহণের জন্য ইএবি’র অন্যান্য দাবি হচ্ছে বাস বার ট্রাকিং সিস্টেমের দ্রব্যাদির আমদানিতে শুল্ক-কর প্রত্যাহার, বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য মেয়াদি ব্যাংক ঋণের সুদ হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনা, নতুন আরোপিত ১ শতাংশ গ্রীন ট্যাক্স প্রত্যাহার, বর্জ্য পরিশোধনাগার স্থাপনে ৫ শতাংশ সুদে অর্থায়ন করা। এছাড়া শ্রমিকের দক্ষতা উন্নয়নে ৫শ’ কোটি টাকার বরাদ্দ দেয়া, প্রস্তাবিত ৫টি ইপিজেড নির্মাণ, দ্রুত গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ এবং ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে ৪৪ লাখ ২০ হাজার টাকা বা তার বেশি আয়ের ক্ষেত্রে বাড়তি কর প্রত্যাহার করার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে বস্ত্র শিল্পের জন্য সম্পূরক আমদানী শুল্ক হ্রাস করারও দাবি জানানো হয়। ইএবি’র সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী স্বাক্ষরিত ওই প্রতিক্রিয়ায় বলা হয়, এসব দাবি গ্রহণ করা না হলে বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানির সক্ষমতা কমে যাবে। ক্রেতারা প্রতিযোগী দেশে পণ্য ক্রয়ে আগ্রহী হবে। ফলে অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হলে শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নষ্ট হবে। অন্যদিকে রপ্তানিমুখী শিল্পখাতে বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হবে এবং রপ্তানি আয় কমে যাবে।