দীর্ঘদিন যাবত্ গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অফিস। ভবন ধসে যে কোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।
ভবনের দেয়ালে বড় ধরনের ফাটল ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। ছাদের রডে মরিচা ধরে কংক্রিট থেকে আলাদা হয়ে গেছে। ছাদ ফেটে কংক্রিট খসে পড়ছে। বৃষ্টি হলেই ছাদ থেকে ফ্লোরে পানি জমে অফিসের মূল্যবান কাগজপত্র নষ্ট হয়। একমাস আগে ছাদ থেকে ঢালাই ও ফ্যান খসে পড়ে আসাদুল্লা, রেনু মিয়া ও বাবুল মিয়া নামে ৩ জন অফিসের কর্মচারী আহত হয়েছেন। তাছাড়া ভবনের ভীতের দেয়ালেও ফাটল দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে কক্ষের দেয়াল ফেটে দেয়াল থেকে সরে গেছে এবং আরসিসি লিন্টেলও সরে গেছে। যে কোনো মুহূর্তে অফিসের ভবন ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
দীর্ঘদিন ব্যবহার করে কোনো প্রকার রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় সংস্কার বা মেরামত করেও ভবনটি ব্যবহার করা সম্ভব নয় বলে গাজীপুর গণপূর্ত উপ-বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী কাজী জহিরুল ইসলাম জানান। সহকারী প্রকৌশলী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কালিয়াকৈর মোঃ ওয়াজেদ আলী জানান, ২০১৩ সালে বিল্ডিংটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। পরিত্যক্ত ঘোষণার পর পুনরায় নতুন অফিস ভবন নির্মাণের জন্য প্রাক্কলন তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করা হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে দীর্ঘদিনেও অফিসের নতুন ভবনটি আলোর মুখ দেখেনি। এক রকম বাধ্য হয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অফিসের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।
