শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যে দ্বিমত টিআইবি’র

আপডেট : ১২ জুলাই ২০১৪, ২১:৪৯
১০ জুলাই ২০১৪ গণমাধ্যমে প্রকাশিত শিক্ষামন্ত্রীর ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে নেয়ার সংগ্রাম এবং টিআইবি’র রিপোর্ট’ শীর্ষক শিরোনামের নিবন্ধের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। শনিবার টিআইবির পক্ষ থেকে পাঠানো এক পত্রে এ দ্বিমত প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, শিক্ষামন্ত্রী তার নিবন্ধে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসি’র গৃহীত বিভিন্ন ইতিবাচক পদক্ষেপ সম্পর্কে পাঠকদের সম্যক ধারণা দিয়েছেন। টিআইবির প্রতিবাদপত্রে বলা হয়, সমাজবিজ্ঞান গবেষণার স্বীকৃত পদ্ধতি অনুসরণ করে টিআইবির গবেষণাটি পরিচালিত হয়। এর বস্তুনিষ্ঠতা সম্পর্কে সন্দেহ করার কোন অবকাশ নেই। প্রতিবাদপত্রে আরো বলা হয়, সমাজবিজ্ঞানের গবেষণায় বহুল ব্যবহূত ট্রায়াঙ্গুলেশন পদ্ধতি ব্যবহার করে ২২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ইউজিসি থেকে প্রাপ্ত তথ্যে বিশ্লেষণ ও যাচাইকরণের মাধ্যমে এই গবেষণা পরিচালিত হয়েছে। তদুপরি গবেষণার শেষ পর্যায়ে একটি পরামর্শ কর্মশালা আয়োজন করা হয়। এ কর্মশালায় মন্ত্রণালয় এবং ইউজিসির কর্মকর্তাদের আমন্ত্রণ জানানো হলেও তারা যোগদান করেননি। যদিও ২৭ মার্চ ২০১৪ তারিখে মঞ্জুরি কমিশনের পক্ষ থেকে টিআইবিকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে লিখিতভাবে তথ্য প্রদান করা হয়। টিআইবির পক্ষ থেকে বলা হয়, শিক্ষামন্ত্রী এবং শিক্ষা সচিবের কাছে প্রেরিত পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনটি ৩ জুলাই আনুমানিক পৌনে ৩টায় সচিবালয়ের পত্র গ্রহণ শাখায় গ্রহণ করা হয়। সুতরাং ‘গত ৭ জুলাই আনুমানিক পৌনে একটায় কেউ একজন একটি রিপোর্টের কপি জমা দিয়ে গেছেন’ মর্মে শিক্ষামন্ত্রীর প্রবন্ধে উল্লিখিত বক্তব্য তথ্য নিষ্ঠ নয়। গত ২৬ জুন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যমান অনিয়ম ও দুর্নীতির ওপর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রতিবেদন দিয়েছেন যেখানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যমান ২৮ ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি চিহ্নিত করা হয়েছে। যার অধিকাংশই টিআইবির গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্যের অনুরুপ।