এমন সমাপ্তিতে হতাশ সিলভা

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০১৪, ২২:১২
জার্মানির বিপক্ষে সেমিফাইনালে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত হয়ে স্বাগতিক ব্রাজিলের শুধুমাত্র বিশ্বকাপের শিরোপা স্বপ্নই শেষ হয়ে যায়নি, বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে পরাজয়ের লজ্জায় ডুবতে হয়েছে, যা হয়তো কখনই কোনো ব্রাজিলিয়ানের স্মৃতি থেকে মুছে যাবে না। এই দুঃসহ স্মৃতি থেকে কিছুটা হলে বেরিয়ে আসার সুযোগ হয়েছিল নেইমারবিহীন ব্রাজিলিয়ানদের। কিন্তু তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে নেদারল্যান্ডের কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়ে সেই হতাশা আরও বেড়েছে। স্বাগতিক অধিনায়ক থিয়াগো সিলভা তাই বলতে বাধ্য হয়েছেন এই ধরনের পরাজয় এবং সমাপ্তি কোনটাই তাদের প্রাপ্য ছিল না। ঘরের মাঠের বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়ে এবারের আসরের টপ ফেভারিট ছিল সেলেসাওরা। কিন্তু পর পর দুই ম্যাচে ১০ গোল হজম করে চতুর্থ স্থান নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে স্বাগতিকদের। প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইর তারকা ডিফেন্ডার সিলভা স্থানীয় টিভি গে¬াবোতে বলেছেন, ‘আমরা সত্যিই মারাত্মক হতাশ। এই বিশ্বকাপটা আমাদের জন্য স্বপ্নের মুহূর্ত ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এসে এই ধরনের পরাজয় কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। দুর্ভাগ্যজনকভাবে বলতে হয়, এটা ফুটবল। আমাদের অবশ্যই এজন্য সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। আমাদের জন্য তাদের অনুভূতিটা স্বাভাবিক। শেষ ম্যাচ পর্যন্ত তারা আমাদের সমর্থন যুগিয়ে গেছে। কিন্তু দিনের শেষে এই ধরনের পারফরমেন্স সত্যিই হতাশাজনক। এদিকে চেলসি মিডফিল্ডার অস্কার স্বীকার করেছেন, এভাবে বিশ্বকাপ শেষ হওয়ায় পুরো দল মারাত্মকভাবে ভেঙ্গে পড়েছে। তিনি বলেন, এটা ভয়ঙ্কর এক অনুভূতি। এই পরিস্থিতিকে বর্ণনা করার মত কোন ভাষা নেই। জার্মানদের বিপক্ষে এত বড় পরাজয় কেউই আশা করেনি। সেটাকে কাটিয়ে আমরা তৃতীয় হবার জন্য চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু সেটাও হলো না। আমরা বেশ কয়েকটি সুযোগ সৃষ্টি করেছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয়নি। এখানে বলার কিছুই নেই। আমাদের অবশ্যই ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিতে হবে এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করতে হবে। দুই মিনিটের মধ্যে গোল খেয়ে বসলে সেটা কাটিয়ে ওঠা কঠিন হয়ে পড়ে। এজন্য দলের সবাই বেশ হতাশ। ব্রাজিলিয়ান সমর্থকরাও হতাশ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা চেষ্টা চালিয়েছি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে জয় দিয়ে টুর্নামেন্টটা শেষ করতে পারিনি।