গণধর্ষণে নিহত তানিয়া আক্তারের পরিবারকে সমাজচ্যুত করা হয়েছে। কারো সাথে কথা বললে ১০টি জুতা পেটা, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। মহল্লার মসজিদে নামাজ পড়া নিষিদ্ধ। পুকুরেও গোসল করা যাবে না। ২০১৩ সালের ২০ নভেম্বর কাটানিসার গ্রামের আনসার সদস্য আবদুল বারেকের কন্যা, ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী তানিয়াকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করে লাশ ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় আবদুল বারেক বাদী হয়ে সরাইল থানায় মামলা করেন। নিহতের মা সাদেকা বেগম জানান, তার বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। কাটানিসার গ্রামে মাইকিং করে বাজারে মিটিং করা হয়। স্থানীয় সমাজপতি মিয়া চান মাস্টার এতে সভাপতিত্ব করেন। সিদ্ধান্ত হয় আব্দুল বারেক ও তার পরিবারকে পুকুরে যাওয়া নিষেধ।
দোকানপাট, মসজিদে যেতে পারবে না। চলতি মাসের ৮ জুলাই বিকেল ৫টায় এ মিটিং হয়। নিহতের ভাই কলেজ ছাত্র কামরুজ্জামান বলেন, আমাদের সংগে কথা বললে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও ১০টি জুতা পেটা করা হবে। আমি মসজিদে নামাজ পড়তে গেলে বের করে দেয়া হয়। সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলী আরশাদ বলেন, পরিবারটির প্রতি প্রতিনিয়ত খোঁজখবর রাখছি। তাদের নিরাপত্তা যেন বিঘ্নিত না হয় সে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখছি।
