অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাবেই চলে এসেছিল সুযোগটা। ফাইনালের আগের দিন অনুশীলনে স্যামি খেদিরা চোট পাওয়ায় তার বদলি হিসাবে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ফাইনালের মূল একাদশে জায়গা করে নেন ক্রিস্টোফ ক্র্যামার। ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে নামার আনন্দ মিইয়ে যেতে অবশ্য খুব বেশি সময় লাগেনি। গুরুতর এক আঘাতে ম্যাচের আধা ঘণ্টা পেরোনোর আগেই মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। তখনই বোঝা গিয়েছিল আঘাতের তীব্রতা কতটা। তবে, গত বৃহস্পতিবার ক্র্যামার জানালেন, আঘাতটা এতই তীব্র ছিল যে ফাইনালের ম্মৃতিই প্রায় হারিয়ে ফেলেছেন তিনি!
বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলা চলাকালীন সময়ে মাথায় আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল জার্মান মিডফিল্ডার ক্রিস্টোফ ক্র্যামারকে? তিনি জানিয়েছেন, ফাইনালের প্রথমার্ধে চোট পাওয়ার আগে কি ঘটেছিল কিছুই তার মনে নেই।
জার্মান তারকা ফুটবলার সামি খেদিরা মারাকানার ম্যাচের আগে অনুশীলনের সময় চোট পেয়ে ফাইনাল থেকে ছিটকে পড়েছিলেন। তার স্থলাভিষিক্ত হয়ে মাঠে নামেন ক্র্যামার। তবে মাঠে নামার ১৯ মিনিটে আর্জেন্টিনার এজেকুইল গ্যারের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে মাথায় ব্যথা পেয়ে মাঠেই পড়ে যান ক্র্যামার। এরপর ফিজিওদের কাঁধে ভর করেই মাঠ ছাড়তে হয় ক্র্যামারকে। ২৩ বছর বয়সী এ মিডফিল্ডারকে দলের চিকিত্সকগণ অনেকটা সময় নিয়ে চিকিত্সা দিলে ধীরে-ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন তিনি। তিনি বলেন, ‘ম্যাচের কিছুই আমার মনে নেই। প্রথমার্ধের কোনো ঘটনা আমি মনে করতে পারছি না। আমি জানি না কিভাবে আমি রুমে আসলাম। কিছুতেই মনে করতে পারছি না।’ ক্র্যামার জার্মানির হয়ে মাত্র পাঁচটি ম্যাচ খেলেছেন। এছাড়া বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে খেলেছেন ১২১টি ম্যাচ। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমেই ফাইনালে দলে জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি।
