উদ্ভাবন

ফরমালিন এবং মেলামিন সনাক্তকরণ পদ্ধতি

আপডেট : ২২ জুলাই ২০১৪, ১৯:৪৪
ড. মোঃ শফিকুজ্জামান সিদ্দিকী। নামের মতোই বড় তার অর্জনের ঝুড়ি। এই কৃতি বিজ্ঞানীর জন্ম পাবনা শহরে। তিনি ফরমালিন এবং মেলামিন সনাক্তকরণ পদ্ধতি আবিষ্কার করে এরই মধ্যে তার খ্যাতিকে ছড়িয়েছেন বিশ্বব্যাপী। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, টেকসই কৃষি উন্নয়নে প্রস্পারডটনেট-স্কপাস ইয়াংসায়েন্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়ে আমি খুশি হয়েছি। আমি যা করেছি তা হল ৫ সেকেন্ড এবং ৩০ সেকেন্ডের ভেতর ফরমালিন এবং মেলামিন সনাক্তকরণ পদ্ধতি আবিষ্কার। Tricobiocompost নামের যন্ত্রটি একটি মালয়েশিয়ান কোম্পানী কর্তৃক বাজারজাত করা হবে শীঘ্রই। তিনি বলেন, আমার জন্য দোয়া করবেন যাতে আমি সুস্থ থাকতে পারি এবং মানবতার সেবা করে যেতে পারি। ড. মোঃ শফিকুজ্জামান সিদ্দিকী মালেশিয়ার ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া সাবার একজন সিনয়র লেকচারার। তিনি মলিকুলার মাইক্রোলজি বিষয়ে এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেছেন। পুত্রা বিশ্ববিদ্যালয়য় থেকে পিএইচডি করেছেন ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল বায়োসেন্সর বিষয়ে। তিনি শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি শেষ করেন। বর্তমানে মালেশিয়ার ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া সাবাহতে জীব প্রযুক্তি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বিআরআই) প্রধান হিসাবে কাজ করছেন। বর্তমানে কেমিক্যাল, অপটিক্যাল, বায়সেন্সর ভিত্তিক গবেষণা করে চলেছেন। এছাড়াও তিনি জৈবসার তৈরি, অয়েল পাম ফাইবার, রাইচ স্ট্র, প্রভৃতি বিষয়ে গবেষণা এবং আবিষ্কার করে চলেছেন। বিশ্বের খ্যাতিনামা ম্যাগাজিনগুলোতে তার ৪০টি পেপার প্রকাশিত হয়েছে। ২টি বই, ১টি প্যাটেন্ট, ১৩টি গবেষণা পুরষ্কার পাওয়ার বিরল খ্যাতি অর্জন করেছেন ইতোমধ্যে। সাফল্যের ঝুড়িতে আরও যোগ করেছেন অনেক গৌরব করার মতো অর্জন। এই যেমন ২০১১ সালে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা স্নাতকোত্তর ছাত্রের সম্মানে ভূষিত হন। এছাড়া দেশ বিদেশের বিভিন্ন গবেষণার কাজে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন। মালেশিয়ার টিভি ১ এবং টিভি ২ নামের দুটি টেলিভিশন চ্যানেলেও গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। সাথে বিভিন্ন সংবাদ সংস্থার সাথে তো যুক্ত ছিলেনই। ২০০৮ থেকে ২০১২ সালে তার মালেশিয়ায় তার বিশ্ববিদ্যালয়য়ের গবেষণাধর্মী সব কাজের জন্য অর্জন করেছেন সোনা, রূপা, ব্রোঞ্জের পদক।