গোলাম রসূলের খুব আফসোস। বেচারা তিন বছর ধরে পরিবারের সঙ্গে ইফতার করতে পারে না। আহারে! তবে এবার তার কষ্টটা একটু কমেছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১৩ তম ব্যাচের ছাত্রের মুখেই শোনা যাক কষ্ট কমে যাওয়ার গল্প।
‘আমি ক্যাম্পাস ছেড়ে ঢাকায় এসেছি দুই বছর হতে চলছে। তবে এবার প্রথমবারে মতো বিভাগের সাবেক ভাইয়া আপুদের সঙ্গে ইফতার করতে এসেছি। ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে পরিবারের সঙ্গেই ইফতার করছি। আসলে আমার বিভাগ আমার পরিবারের চেয়ে কম নয়।’ ১২ তম ব্যাচের রাহাত রাফি ভাই বরাবরই আবেগী মানুষ। ইফতারে এসেই বললেন, ‘আমরা সবাই কমবেশি ব্যস্ত থাকি। তবুও সময় করে চলে এসেছি। প্রিয় মানুষদের দেখলেই ভালো লাগে। মনটা ভরে যায়।’
তন্ময় মজুমদার, জাহিদ আল আমীন আর হাসান মেজর। এই তিন ভাইয়ের কথা আলাদা করে বলতেই হবে। কেননা একসঙ্গে করার এই কাজটা করেছেন এই তিনজন। আমাদের তিন তারকা। নিজেদের কাজ ফেলে যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা পরিবারকে একসঙ্গে বসার সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়ায় সবাই তাদেরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
নাসিমূল আহসান, হোসাইন জামাল এবং প্রবীর বড়ুয়া চৌধুরী। ১১ তম ব্যাচের এই তিনজন মিলিত হয়েছেন অনেক দিন পর। একই শহরে থাকেন সবাই। তবে দেখা হয় না খুব একটা। এবারের ইফতার এই তিন বন্ধুকে একত্রিত করেছে।
আমাদের সবার প্রিয় রাজীব মীর স্যারের আগমন অনুষ্ঠানকে আরো প্রাণবন্ত করেছে। মুগ্ধকরা সেই কথা অনেক দিন পর শুনতে পেরেছি আমরা। স্যারকে তাই বিশেষ ধন্যবাদ দিয়েছেন ৯ম ব্যাচের এনায়েত ভাই।
আরো যারা এসে আমাদের আলোকিত করেছেন- কাজল ভাই, মঈন ভাই, শিশির ভাই, হেদায়েত ভাই, রাকিব ভাই, আরাফাত ভাই, জহির ভাই, রানা ভাই, রাজু ভাই, মামুন ভাই, বৃষ্টি আপু, ফারজানা রিতা আপু, মেঘ আপু, বারেক, রোজেন, মেহেদী, বাপ্পি এবং পাবেলসহ অনেকে।
