বিমান বিধ্বংসী বাক ক্ষেপণাস্ত্র থাকার কথা অস্বীকার করেছে ইউক্রেনের রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। এক সাক্ষাত্কারে বিদ্রোহীদের নেতা আলেকজান্ডার বোরোদাই বলেন, যে ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে মালয়েশিয়ার এমএইচ-১৭ বিমান ধ্বংস করা হয়েছে তেমন কোনো অস্ত্র তাদের নেই। গত সপ্তাহে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২৯৮ যাত্রী নিহত হওয়ার ঘটনায় রুশপন্থি বিদ্রোহীদের দায়ী করেছে ইউক্রেন এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি পশ্চিমা দেশ। স্বঘোষিত দোনেতস্ক গণপ্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী বোরোদাই বলেন, তাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে সেগুলো সত্য নয়। এমনকি দুর্ঘটনাস্থলে লাশ নিয়ে রাজনীতির যে অভিযোগ উঠেছে সেটিও মিথ্যা। তাদের বিরুদ্ধে যেসব প্রমাণ হাজির করা হচ্ছে সেগুলো বানোয়াট বলে তিনি দাবি করেন। বোরোদাই বলেন, রাশিয়ায় নির্মিত এসএ-১১ বাক ক্ষেপণাস্ত্র তারা কখনই পায়নি। তাদের কাছে বাক আছে বলে যেসব ছবি প্রকাশ করা হয়েছে সেগুলোকে ভুয়া বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বরং তিনি পাল্টা অভিযোগ করেছেন পর্যবেক্ষক দলের বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, তারা যথেষ্ট যত্নের সঙ্গে দুর্ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখেনি। বিশেষজ্ঞ দল মৃতদেহ উদ্ধার করবে এমন প্রতিশ্রুতি দিলেও ইউরোপভিত্তিক অর্গানাইজেশন ফর সিকিউরিটি অ্যান্ড কো-অপারেশন ইন ইউরোপ এজন্য কোনও দল পাঠায়নি। বোরোদাই দাবি করেন, দুর্ঘটনার তৃতীয়দিনে তারা বাধ্য হয়ে মৃতদেহ উদ্ধারে কাজ করেছে।
এদিকে গত বুধবার প্রথম দফায় ৪০টি মৃতদেহ গ্রহণ করেছে নেদারল্যান্ডস এবং এগুলো শনাক্তকরণের কাজও শুরু হয়েছে। নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী ও রাজপরিবারের সদস্যরা এই মৃতদেহ গ্রহণ করেন। বৃহস্পতিবার দুপুরবেলা মৃতদেহ বহনকারী আরেকটি বিমান আমস্টারডামে পৌঁছাবে। অস্ট্রেলিয়ার বিমান বাহিনীর একটি বিমান এই লাশ বহনের দায়িত্ব নিয়েছে।
