দুই নদীর সীমানায় পিলার স্থাপনের নির্দেশ

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০১৪, ২১:৪৯
বর্ষা মৌসুমে তুরাগ ও বালু নদীর সীমানা চিহ্নিত করে খুঁটি স্থাপনের কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান, ভূমি জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসককে এ কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দিয়ে এ সংক্রান্ত অগ্রগতি প্রতিবেদন ১৫ সেপ্টম্বরের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে। বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন। তুরাগ ও বালু নদীর সীমানা পিলার স্থাপনের নির্দেশনা চেয়ে গত ১৭ জুলাই হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে এডভোকেট মনজিল মোরসেদ হাইকোর্টে একটি সম্পূরক আবেদন দাখিল করেন। এতে বলা হয়, ঢাকার চারপাশে বহমান বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ ও বালু নদী রক্ষায় ঐতিহাসিক রায় দেয় হাইকোর্ট। ওই রায় বহাল রাখে আপিল বিভাগ। রায়ে সিএস ও আরএস মানচিত্র অনুসারে ২০০৯ সালের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে এই চার নদীতে সীমানা জরিপ করতে বলা হয়েছিল। এই রায়ের ভিত্তিতে বুড়িগঙ্গায় সীমানা পিলার স্থাপনের কাজ হয়েছে। শীতলক্ষ্যায় কাজ চলছে। তুরাগ ও বালু নদীতে কাজ শুরু হলেও প্রকৃত সীমানায় পিলার স্থাপন না করায় জনদাবির মুখে তা বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপর দুই বছরেও সীমানা পিলার স্থাপনের কাজ পুনরায় শুরু না করায় নদীর অনেক জায়গা অবৈধ দখলদারদের হাতে চলে গেছে। ফলে নদীর সীমানায় বিভিন্ন স্থাপনা তৈরি করে অস্থায়ী দখল চলছে। এটা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। এই আবেদনের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট এ আদেশ দেন। পরে মনজিল মোরসেদ বলেন, এই বর্ষা মৌসুমে ১৪ দিনের মধ্যে নদ-নদীগুলোর সীমানা চিহ্নিত করতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ সময়ের মধ্যে সীমানা খুঁটি নির্মাণ কার্যক্রম শুরু করতে বলা হয়েছে।