সাতক্ষীরার কলারোয়া সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে সিলগালাকৃত পচা চাল সরানোর সময় ৫৮৯ বস্তা চাল আটক করেছে স্থানীয় জনতা। শুক্রবার দুপুরে কলারোয়া উপজেলা খাদ্যগুদাম থেকে পাটকেলঘাটা খাদ্য গুদামে ওই চাল পাঠানো হচ্ছিল। সম্প্রতি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাল ক্রয় করা হয়।
ঈদ উপলক্ষে বিশেষ বরাদ্দের জন্য পাটকেলঘাটা খাদ্যগুদামে কলারোয়া খাদ্যগুদাম থেকে ৫০ মেট্রিক টন চাল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক। সে অনুযায়ী শুক্রবার কলারোয়া খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা এর আগে গুদামে সিলগালা করে রাখা নিম্নমানের চালের মধ্য থেকে ৫৮৯ বস্তা চাল পাটকেলঘাটায় পাঠানোর চেষ্টা করেন। ট্রাকযোগে নিম্নমানের চাল পাচারের সময় স্থানীয় লোকজন তা আটক করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্রাকসহ চাল থানায় নিয়ে যায়। বাকি চাল সেখানে রক্ষিত আছে। কলারোয়া খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা আলী নুর হোসেন চলতি চাল সংগ্রহ অভিযানে ৫০ মেট্রিক টন চাল ক্রয় করেন। ওই সময় গুদাম কর্মকর্তা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে নিম্নমানের চাল ক্রয় করেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। কলারোয়ার মোল্লা রাইচ মিল, জামান রাইচ মিল, সোহাগ রাইচ মিল, সোনালী রাইচ মিল এ চাল সরবরাহ করে। বিষয়টি জানাজানি হলে গত এক সপ্তাহ আগে উপজেলা খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান ৫০ টন নিম্নমানের চাল গুদামে সিলগালা করে দেন।
কলারোয়া খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা আলী নুর ইসলাম জানান, মেসার্স রুপালী এন্টারপ্রাইজের ঠিকাদারের মাধ্যমে চালগুলো পাটকেলঘাটা খাদ্যগুদামে পাঠানো হচ্ছিল। সেটা নিম্নমানের কি না তা তিনি জানেন না।
সাতক্ষীরা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শাহাজান ভুঁইয়া জানান, ভাল চাল না নিয়ে গুদাম কর্মকর্তা ওই গুদামে সিলগালা করে রাখা নিম্নমানের চাল পাঠানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তা আটক করে। বিষয়টি নিয়ে ওই গুদাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
