মালয়েশীয় বিমান ফ্লাইট এমএইচ১৭ কে যে ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভূপাতিত করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সেই ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনের বিদ্রোহীদের কাছে আছে বলে জানিয়েছেন প্রভাবশালী এক বিদ্রোহী কমান্ডার। বিমানটিকে রাশিয়ার তৈরি ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য বাক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল বলে বিশেষজ্ঞদের অনুমান। মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে পূর্ব ইউক্রেনের রুশপন্থি বিদ্রোহী গোষ্ঠী ভোস্তক ব্যাটালিয়নের কমান্ডার আলেকজান্দার খোদকোভস্কি ওই ক্ষেপণাস্ত্র থাকার কথা নিশ্চিত করেছেন।
১৭ জুলাই মালয়েশীয় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়ে আরোহী ২৯৮ যাত্রী নিহত হওয়ার পর থেকে এই প্রথম বিদ্রোহীদের পক্ষ থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটি থাকার কথা স্বীকার করা হল। এর আগে ৩৩ হাজার ফুট ওপরে থাকা বিমান নামানোর মতো কোনো প্রযুক্তি তাদের কাছে নেই বলে দাবি করে আসছিল ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় বিদ্রোহীদের প্রধান গোষ্ঠী পিপলস রিপাবলিক অব দোনেস্ক। খোদকোভস্কি বলেছেন, যোদ্ধাদের কাছে বিউকে ক্ষেপণাস্ত্র ছিল, মালয়েশীয় বিমান ধ্বংসের পর প্রমাণ মুছে ফেলার উদ্দেশ্যে তারা সম্ভবত সেগুলো ফেরত পাঠিয়েছে। তবে ঘটনা যাই হোক না কেন মালয়েশীয় বিমান ধ্বংসের দায় তিনি ইউক্রেন সরকারের ওপরই চাপিয়েছেন। ইউক্রেনের সরকারি বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের লড়াই চলছে পূর্ব ইউক্রেনের এমন একটি এলাকায় এমএইচ১৭ বিধ্বস্ত হয়। কারা এটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে তা নিয়ে ইউক্রেনের সরকার ও বিদ্রোহীরা একে অপরকে দায়ী করে আসছে।
খোদকোভস্কি ইউক্রেনের সরকারকে অভিযুক্ত করে বলেন, বাক ক্ষেপণাস্ত্র বিদ্রোহীদের কাছে আছে এটি জানা ছিল কিয়েভের (ইউক্রেনের রাজধানী)। এটি জানা থাকার পরও তারা ওই এলাকায় উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিমান হামলা পরিচালনা করছিল।
“তারা জানতো বাক আছে; স্নিঝেনোয়ির দিকে সেটি নেয়া হচ্ছে,” বিমান বিধ্বস্তের স্থান থেকে ১০ কি.মি. পশ্চিমের একটি গ্রামের উল্লেখ করে এ কথা বলেন তিনি।
