ঈদের পরই মুখরিত চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গন

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০১৪, ২১:৪৬
পবিত্র রমজান মাসে এক অর্থে স্থবির হয়ে ছিল চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গন। ছিল কোন খেলাধুলার আসর। ফলে স্টেডিয়াম পাড়ায় ছিল না কোন কোলাহল। নীরব ছিল জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যালয়। ইফতার মাহফিলের বদৌলতে যেন তাই কিছুটা প্রাণ ফিরে পেয়েছিল বন্দর নগরীর খেলাধুলার পরিচিত মুখগুলো। ঈদের ছুটি পর্যন্ত নীরব নিথর থাকবে স্টেডিয়াম পাড়া। তবে, তার পরপরই বিভিন্ন খেলাধুলা আয়োজনের মাধ্যমে ক্রীড়াঙ্গন আবার মুখরিত হয়ে উঠবে। পরবর্তী সময় ব্যস্ত থাকবে বিভিন্ন খেলাধুলায়। আগস্ট মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে সিজেকেএস দাবা কমিটি নিয়ে আসছে জেলা দাবা প্রতিযোগিতা। ইতিমধ্যে দাবা প্রতিযোগিতার এন্ট্রিও আহবান করা হয়েছে বলে জানালেন সিজেকেএস দাবা কমিটির সম্পাদক মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম। তরুণ এই সংগঠক আরো জানান, জেলার ক্রীড়াঙ্গনে নিয়মিত বিভিন্ন স্তরের দাবা আয়োজনের কারণে জাতীয় দাবা চ্যাম্পিয়ন শীপে এখানকার অখ্যাত দাবাড়ুরা খ্যাতি অর্জন করে যাচ্ছেন। জেলা দাবা শুরু হবে ১০ আগস্ট থেকে। দাবা প্রতিযোগিতার পরপরই শুরু হবে উপজেলা ফুটবল আয়োজনের কার্যক্রম। তখন সরগরম হয়ে উঠবে জেলার ক্রীড়াঙ্গন। জেলার অধীভুক্ত ১৫টি উপজেলা এতে অংশগ্রহণ করবে। জেলার ফুটবল অঙ্গনকে চাঙ্গা রাখতে উপজেলা ফুটবল আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয় বলে জানালেন সিজেকেএস ফুটবল সম্পাদক আল্লামা মোহাম্মদ ইকবাল। প্রিমিয়ার, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগ ফুটবল লিগ আয়োজনের কোন এখতিয়ার নেই জেলা ক্রীড়া সংস্থার। ফুটবল লিগ আয়োজনের একমাত্র ক্ষমতা রয়েছে জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের। ফলে জেলা ক্রীড়া সংস্থার যে ফুটবল কমিটি রয়েছে, অলস সময় অতিবাহিত করা ছাড়া এই কমিটির অন্য কোন কাজকর্ম নেই। ফলে ফুটবল কমিটিকে চাঙ্গা রাখতে হলে ছোট খাটো টুর্নামেন্ট আয়োজনের বিকল্প নেই। এতে সৃষ্টি হয় প্রতিশ্রুতিশীল ফুটবলার তদুপরি লাভবান হয় প্রিমিয়ার ফুটবল লিগে অংশগ্রহণকারী দলগুলো। এমন মন্তব্য সিজেকেএস ফুটবল কমিটির সম্পাদকের। আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ক্রীড়াঙ্গন ব্যস্ত থাকবে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনে। পরবর্তী তিনমাস ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকবে জেলার ক্রীড়াঙ্গন। চলতি সময়ের ক্রিকেট মৌসুম ধরা হয়েছে মৌসুমের শেষ তিন মাসকে। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সূচি থাকবে ঘরোয়া ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসর প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের জন্য। সিজেকেএস ক্রিকেট কমিটির সম্পাদক আবদুল হান্নান আকবর ইত্তেফাককে জানান, ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক সিডিউলের কারণে চলতি সনের শুরুতেই ঘরোয়া ক্রিকেট লিগ আয়োজন করা সম্ভব ছিল না। তবে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে সূচি নির্ধারণ করা হয় ক্রিকেট লিগ আয়োজনের। এতে অংশগ্রহণকারী সব দলের সম্মতি আছে। এছাড়া সিজেকেএস হ্যান্ডবল লিগ, কাবাডি লিগ, ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা ও অন্যান্য গেমসগুলোর আয়োজনেরও সূচি রয়েছে ঈদে পরবর্তী সময়ে।