গ্লাসগোতে বাংলাদেশের হতাশার দিন

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০১৪, ২১:৪৭
গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমস শ্যুটিংয়ে বাংলাদেশের রৌপ্য পদক পাওয়ার পর আর কোনো ভালো খবর আসেনি। সব দিক থেকেই হতাশার খবর। গেমসের তৃতীয় দিনটি ভালো যায়নি বাংলাদেশের। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত গ্লাসগো থেকে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা সন্তুষ্ট হওয়ার মতো সংবাদ দিতে পারেননি। সিডিউল অনুসারে গেমসের তৃতীয় দিনে সাইক্লিং, ভারত্তোলন, সাঁতার, বক্সিং, টেবিল টেনিস থেকে কোনো খবর আসেনি। হতাশার খবরের মধ্যে অ্যাথলেটিকস খারাপ খবরের মধ্যে ভালো বলা যায়। পুরুষদের ১০০ মিটার স্প্রিন্টে বাংলাদেশের মেজবাহ আহমেদ এক নম্বর হিটে দৌড়ে বাদ পড়লেও নিজের ক্যারিয়ারের সেরা টাইমিং করেছেন তিনি। গ্লাসগোতে মেজবা আহমেদের টাইমিং ছিল ১০.৫২। তার পূর্বের টাইমিং ছিল ১১.২৩ সেকেন্ড। ১০০ মিটার স্প্রিন্টে শিরিন আক্তার হিটেই বাদ। তার সময় ছিল ১১.৮৪ সেকেন্ড। সাঁতারে ১০০ মিটার ফ্রি স্টাইলে হিটে বাদ পড়া মাহফিজুর রহমানের টাইমিং ছিল ৫২.৯৭ সেকেন্ড। ভারত্তোলনে পুরুষদের মধ্যে মনোরঞ্জন রায় ৭৭ কেজি ওজন শ্রেণীতে হতাশ করেছেন। তবে সি গ্রুপে মনোরঞ্জন চতুর্থ হয়েছেন। মেয়েদের মধ্যে মোল্লা সবেরা ৪৮ কেজি ওজন শ্রেণীতে লড়াই করে পেরে ওঠেননি। ঈদুল ফিতরের মধ্যে সাঁতার, টেবিল টেনি, বক্সিং, কুস্তি, জিমনাস্টিকস, বাডমিন্টন খেলা হবে। ৩ আগস্ট বাংলাদেশের খেলা সব শেষ হয়ে যাবে। কমনওয়েলথ গেমসে এবারও বাংলাদেশের ব্যর্থতা ছিল। এতো বড় আসরে বাংলাদেশের লড়াই হতাশার চিত্রটাই ফুটে উঠেছে। ক্রীড়াবিদদের যতটা না পারফরম্যান্স, তার চেয়ে কর্মকর্তার ভ্রমণটাই বেশি চোখে পড়েছে। দল ভারী করে বিদেশ ভ্রমণ। আর যাওয়া আসার মধ্যেই আনন্দ, এভাবে দেশের সম্মান বিলিয়ে দেয়ার চেয়ে না যাওয়াই ভালো। যে সব ক্ষেত্রে পদকের সম্ভাবনা রয়েছে সেই দুই-একটি খেলা ছাড়া কমনওয়েলথ গেমসে গিয়ে পিকনিক করে দেশের সম্মান নষ্ট করা ছাড়া আর কোনো লাভ হচ্ছে না।