তিন মাসের বকেয়া বেতনের নিশ্চয়তায় আবার জাতীয় ফুটবল দলের সাথে কাজ করতে ঢাকায় এলেন জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান ডি ক্রুইফ ও সহকারী কোচ রেনে কোস্টার। ফলে আজ রবিবার থেকে এশিয়ান গেমসের জন্য বাংলাদেশ দলের প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে ক্রুইফের তত্ত্বাবধানেই।
ক্রুইফ ও রেনের ছয় মাসের বেতন বাকি। এ নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সাথে মনকষাকষি চলছিল কোচদ্বয়ের। এর মধ্যে জাতীয় দলের কোন খেলা না থাকায় বাফুফের অনুমতি নিয়েই প্রায় তিন মাস ছুটি কাটিয়ে গতকাল ভোরে ঢাকায় ফেরেন জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ। অপরদিকে একমাস ছুটি কাটিয়ে ঢাকায় এলেন কোস্টার।
ডি ক্রুইফ ৬ এপ্রিল এবং সহকারী কোচ রেনো কোস্টার ৫ জুলাই থেকে ‘ছুটিতে’ ছিলেন।
সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী দুই একদিনের মধ্যেই তিন মাসের বকেয়া বেতন পাচ্ছেন কোচরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ।
জানা গেছে, গতকাল ঢাকায় এসে দুপুরে বাফুফে’র সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের বাসায় যান দুই ডাচ কোচ। এসময় প্রধান কোচ ও তার সহকারীর সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেন বাফুফে সভাপতি। কোচ ও সভাপতির মধ্যকার বৈঠকে কি আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ফুটবলের প্রতি মনোযোগ দেয়া, বকেয়া বেতন পরিশোধ, বিদেশী কোন দলের সাথে খেলোয়াড়দের জন্য ৩/৪টি প্রস্তুতি মূলক ম্যাচের ব্যবস্থা করা এবং এশিয়ান গেমসসহ আসন্ন খেলাগুলোতে জাতীয় দলের ভালো পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা হয়।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বকেয়া বেতন না দিলে কোচরা কাজ না করার ব্যাপারে কোন হুমকি দেননি। আসলে কোচরা তাদের বেতন পান। তারা তাদের বকেয়া বেতন চাইবেন এটাই স্বাভাবিক। সময় মতো তাদের বেতন দিয়ে দেয়াটাই আমাদের দায়িত্ব। আগে আমাদের হাতে টাকা ছিলো না, তাই সময় মতো কোচদের বেতন পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি। এখন যেহেতু টাকা আছে, তাই সিদ্ধান্ত হয়েছে তাদের বকেয়া বেতনের ৭০ শতাংশ পরিশোধ করে দেয়ার।’
তিনি আরো বলেন, ‘বকেয়া বেতনের সাথে তাদের ভিসা খরচ, ইন্টারনেট বিল, মোবাইল বিল ও চিকিত্সা ভাতাও বকেয়া ছিলো। সেগুলোও দেয়া হবে। এখন থেকে আমরা প্রতি মাসে কোচদের বেতন পরিশোধের জন্য আরো সিরিয়াস হচ্ছি।’
